জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ডীন নির্বাচনে আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের প্যানেল নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে। ৫টি অনুষদের ৪টিতে জয় পেয়েছে আওয়ামীপন্থী শিক্ষকরা। অপরটিতে জয় পেয়েছে বিএনপির বিদ্রোহী (বহিষ্কৃত) প্রার্থী।
মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটায় রিটার্নিং অফিসার রেজিষ্ট্রার আবু বকর সিদ্দিক এ ফল ঘোষণা করেন।
মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ক্লাবে সকাল ৮টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে দুপুর ১টা পর্যন্ত চলে। এতে ৪৫৯ ভোটারের মধ্যে ৪৪০ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
সমাজবিজ্ঞান অনুষদে আওয়ামীপন্থী প্যানেল থেকে অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক আমির হোসেন ৫৮ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। বামপন্থী শিক্ষকদের প্যানেল থেকে অধ্যাপক নইম সুলতান ২২ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছেন। এছাড়া, ১৭ ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থানে আছেন বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের প্যানেল থেকে অধ্যাপক মুহম্মদ নজরুল ইসলাম ।
নির্বাচনে আওয়ামীপন্থী প্যানেল থেকে গাণিতিক ও পদার্থ বিষয়ক অনুষদে পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক অজিত কুমার মজুমদার ৫৭ ভোট পেয়ে জয় লাভ করেছেন। দ্বিতীয় স্থানে বামপন্থী শিক্ষকদের প্যানেল থেকে পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এএ মামুন ৫৫ পেয়েছেন ভোট । স্বতন্ত্র প্রার্থী রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক মো. ইলিয়াস মোল্লা মাত্র ৪ ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থানে আছেন।
জীববিজ্ঞান অনুষদে আওয়ামীপন্থী প্যানেল থেকে প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক আবদুল জব্বার হাওলাদার ৪৫ ভোট পেয়ে জয় লাভ করেছে। বামপন্থী শিক্ষকদের প্যানেল থেকে প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ মোস্তফা ফিরোজ আছেন দ্বিতীয় স্থানে। বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের প্যানেল থেকে উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক নাজমুল আলম ১৫ ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থানে আছেন।
কলা ও মানবিকী অনুষদে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী (বহিষ্কৃত) হিসেবে প্রত্মতত্ত বিভাগের অধ্যাপক মো. মোজাম্মেল হক ৬০ ভোট পেয়ে জয় লাভ করেছেন। আওয়ামী প্যানেল থেকে বাংলা বিভাগের অধ্যাপক খালেদ হোসাইন ৪৫ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছেন। বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের প্যানেল থেকে দর্শন বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান ১৬ ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থানে আছেন।
এছাড়া, আওয়ামী প্যানেল থেকে বিজনেস স্টাডিজ অনুষদে ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নীলাঞ্জন কুমার সাহা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
এমআইএস





