দ্বিতীয় ধাপে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছিল ২৭ সেপ্টেম্বর এবং তা শেষ হয় ২৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, দ্বিতীয় ধাপে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের নির্বাচন নিশ্চায়নের সুযোগ থাকবে ফল প্রকাশের পর থেকে ৩ অক্টোবর রাত ৮টা পর্যন্ত। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিশ্চায়ন না করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হয়ে যাবে।
পছন্দক্রমের ভিত্তিতে দ্বিতীয় মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ করা হবে ৪ অক্টোবর রাত ৮টায়। এরপর ৫ থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা কলেজে ভর্তি হতে পারবেন।
ভর্তির জন্য নির্ধারিত ওয়েবসাইটে গিয়ে নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কলেজে বিদ্যমান আসনসংখ্যা বিবেচনায় নিয়ে সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
যারা দ্বিতীয় ধাপে আবেদন করতে পারবেন
যেসব শিক্ষার্থী আগে আবেদন করেনি অথবা আবেদন করেও কোনো কলেজে নির্বাচিত হয়নি, তারা দ্বিতীয় ধাপে আবেদন করতে পারবে। এ ছাড়া চূড়ান্ত মনোনয়ন পাওয়ার পরও যারা নির্ধারিত সময়ে নিশ্চায়ন করতে পারেনি কিংবা কলেজে ভর্তি হতে পারেনি, তারাও এ ধাপে আবেদন করার সুযোগ পাবে।
ভুল কোটা নির্ধারণের কারণে চূড়ান্ত মনোনয়ন পাওয়ার পরও যারা কলেজে ভর্তি হতে পারেনি, তারাও দ্বিতীয় ধাপে আবেদন করতে পারবে।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, প্রথম ধাপে আবেদন করেও যারা কোনো কলেজে নির্বাচিত হয়নি, তাদের দ্বিতীয় ধাপে নতুন করে অনলাইন আবেদন ফি ২২০ টাকা দিতে হবে না। এসব শিক্ষার্থীকে ভর্তি-সংক্রান্ত ওয়েবসাইটে লগইন করে কলেজ নির্বাচন বা এডিট সম্পন্ন করতে হবে।
দ্বিতীয় ধাপে আবেদনের সময় কোটার যোগ্যতা যাচাই করে সঠিকভাবে কোটা নির্বাচন করার জন্য শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি ফল প্রকাশের পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিশ্চায়ন ফি জমা দেওয়ার জন্যও অনুরোধ জানিয়েছে শিক্ষা বোর্ড।
এর আগে ১৬ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ করা হয়। ওই ধাপে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য ৯ লাখ ৮০ হাজার ৮১৫ জন শিক্ষার্থীকে নির্বাচিত করা হয়েছিল। প্রথম ধাপের ভর্তি কার্যক্রম চলে ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
এনএইচ











