বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দিনভর অনশন করার পর মধ্যরাতে তাদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। তবে বাকি দুই প্রার্থীর বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) ময়মনসিংহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ২০ জনের নিয়োগপত্র ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। দীর্ঘ অপেক্ষার পর নিয়োগপত্র পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন নিয়োগপ্রাপ্তরা। তবে দুই প্রার্থীর নিয়োগ নিয়ে অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি।
এর আগে এনএসআইয়ের প্রতিবেদনে নেতিবাচক তথ্য থাকার কথা জানিয়ে ময়মনসিংহ জেলার চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত ২২ জন প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক প্রার্থীর নিয়োগ স্থগিত রাখা হয়। নিয়োগপত্র না পাওয়ায় বুধবার সকাল সোয়া ১১টা থেকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে অনশনে বসেন তারা।
অনশনরত প্রার্থীদের দাবি, তাদের কারও বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা বা রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নেই। এরপরও কেন নিয়োগপত্র দেওয়া হচ্ছে না, সে বিষয়ে তাদের কোনো কারণ জানানো হয়নি। এমনকি এনএসআইয়ের প্রতিবেদনে তাদের বিরুদ্ধে কী ধরনের নেতিবাচক তথ্য রয়েছে, সেটিও তাদের জানানো হয়নি বলে অভিযোগ করেন তারা।
নিয়োগপত্র পাওয়া ফুলপুরের প্রার্থী কাজী অনিক বলেন, মধ্যরাতে ওয়েবসাইটে নিয়োগপত্র প্রকাশ করা হয়েছে। নিয়োগপত্র পেয়ে তারা খুশি এবং বৃহস্পতিবারই কাজে যোগ দেবেন।
তবে নিয়োগপত্র না পাওয়া গফরগাঁওয়ের জাহিদ হাসান বলেন, দিনভর তারা জানার চেষ্টা করেছেন কেন নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি। তিনি দাবি করেন, কোনো রাজনৈতিক পদ-পদবিতে তিনি ছিলেন না। এরপরও কেন নিয়োগপত্র পেলেন না, তা তিনি জানেন না।
ময়মনসিংহ জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে বুধবার রাতে ২০ জনকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। বাকি দুই প্রার্থীর বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি। নিয়োগপত্র পাওয়া ২০ জন বৃহস্পতিবারই কাজে যোগ দেবেন।











