বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে চুয়েট ক্যাম্পাসে মিছিলটি বের করেন বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। চোখে কালো কাপড় বেঁধে মিছিলের মাধ্যমে প্রশাসনের নীরবতার প্রতীকী প্রতিবাদ জানান তারা।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, সাবেক উপাচার্যকে পুনর্বহালের দাবিতে টানা নবম দিনের মতো কর্মসূচি পালন করছেন তারা। এর মধ্যে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন ও ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচিও রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের দাবির বিষয়ে কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি।

চুয়েটের শিক্ষার্থী ইশতিয়াক মাহমুদ বলেন, অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েম দায়িত্ব নেওয়ার পর ৫৬ দিনের মধ্যে শিক্ষার্থীবান্ধব বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়কে আধুনিকায়নের চেষ্টা করেছেন। কোনো অভিযোগ ছাড়াই তাকে অপসারণ করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, সাবেক উপাচার্যকে স্বপদে পুনর্বহাল না করা পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে।

শিক্ষার্থীরা জানান, উপাচার্য পরিবর্তনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে গত ২১ সেপ্টেম্বর রাত থেকেই আন্দোলন শুরু করেন তারা। পরদিন ২২ সেপ্টেম্বর থেকে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি শুরু হয়। এর আওতায় ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের পাশাপাশি ক্যাম্পাসে অবস্থান, মানববন্ধন ও গণস্বাক্ষরসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।

আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছে চুয়েট শিক্ষক সমিতিও।

এর আগে ২১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে চুয়েটের উপাচার্যের পদ থেকে সরিয়ে তার স্থলে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে গত ২৭ জুলাই চুয়েটের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। দায়িত্ব নেওয়ার ৫৬ দিনের মাথায় তাকে অপসারণের সিদ্ধান্ত আসে। এরপরই শিক্ষার্থীরা এর প্রতিবাদে আন্দোলনে নামেন।

এস