কোটা সংস্কারের প্রজ্ঞাপনসহ তিন দফা দাবিতে ফের বিক্ষোভ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা। এসময় দাবি না মানলে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তারা।
আজ বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) টিএসসিতে বিক্ষোভ মিছিল-পরবর্তী এক সমাবেশে ওই ঘোষণা দেন ছাত্ররা। এর আগে আন্দোলনকারীদের প্ল্যাটফর্ম ‘বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদে’র ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল করেন তাঁরা।
এ সময় তারা ‘৪০তম বিসিএস এর সার্কুলার মানি না’ বলে স্লোগান দেয়। কোটা সংস্কার ছাড়া বিসিএস সার্কুলার ছাত্রসমাজ বয়কট করবে বলে হুশিয়ার দেয়া হয়।
প্রতিবাদে ৩ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাইন্স লাইব্রেরি থেকে সকাল সাড়ে ১০টায় এই বিক্ষোভ মিছিল বের হয়।
বিক্ষোভ মিছিলটি টিএসসি হয়ে শাহবাগে পাবলিক লাইব্রেরিতে কিছুক্ষণের জন্য অবস্থান নেন। এরপর সেখান থেকে মিছিল নিয়ে আবার তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সেন্ট্রাল লাইব্রেরির সামনে অবস্থান গ্রহণ করে।
এই সময় শিক্ষার্থীরা প্রজ্ঞাপনের দাবিতে বিভিন্ন শ্লোগান দেয়। ‘রব উঠেছে চারদিকে, প্রজ্ঞাপন দিতে হবে’ ‘হামলা করে আন্দোলন, বন্ধ করা যাবে না’ ইত্যাদি।
কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ৩ দফা দাবি হল-
১. ৫ দফার আলোকে যৌক্তিক কোটা সংস্কার করে প্রজ্ঞাপন জারি, ২.সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ৩.আন্দোলনে হামলাকারীদের উপযুক্ত বিচারের দাবি।
সমাবেশে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুল হক বলেন, ‘কোটা সংস্কার যৌক্তিক দাবি সত্ত্বেও এই আন্দোলনে ছাত্রদের ওপর হামলা করা হয়েছে এবং মামলা দেওয়া হয়েছে। ছয় মাস আগে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদে কোটা বাতিলের ঘোষণা দেন। কিন্তু এত দিন পরেও সে ঘোষণা বাস্তবায়িত হয়নি। আমরা কোটা বাতিল চাইনি। প্রধানমন্ত্রী চাইলে কোটা বাতিল করতে পারেন। তবে কোটা সংস্কার করলে পাঁচ দফার আলোকে করতে হবে।’





