প্রেম ঘটিত দ্বন্দ্বের জের ধরে এক ছাত্রীকে মারধরের অভিযোগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ওবায়দুল হক কায়েসকে বহিষ্কারের জন্য কেন্দ্রে সুপারিশ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান রানা ও সাধারণ সম্পাদক তৌহিদ আল তুহিন কেন্দ্রে এ বহিষ্কারের সুপারিশ জানায়। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সংগঠন পরিপন্থী কার্মকাণ্ডে জড়িত হওয়ার অপরাধে কায়েসকে বহিষ্কারের জন্য কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের কাছে সুপারিশ করা হয়েছে। আগামীতে তাকে সব ধরনের দলীয় কর্মকাণ্ড থেকে বিরত রাখার বিষয়েও কেন্দ্রে সুপারিশ করা হয়।
সোমবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ্ কলা ভবনের সামনে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থবর্ষের ওই ছাত্রীকে এলোপাতাড়ি চর-থাপ্পর মারে কায়েস। ছাত্রলীগ নেতার প্রহারে ওই ছাত্রী এক সময় মাটিয়ে লুটিয়ে পড়েন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ও সহকারী প্রক্টর সিরাজুল ইসলাম এসে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে হলে পৌঁছে দেন।
সোমবার এ বিষয়ে ওই ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর দফতর ও ছাত্রলীগের কাছে লিখিত অভিযোগ করে।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, কায়েসের সঙ্গে এক সময় তার ভালো বন্ধুত্ব ছিল। তবে বেশ কিছুদিন ধরে সেই সম্পর্কে ফাঁটল ধরে। এর জের ধরেই সোমবার কায়েস তাকে রিকশা থেকে নামিয়ে মারধর করেছে।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, কায়েস তাকে এর আগেও একাধিকবার মারধর করেছে। তিনি লোকলজ্জার ভয়ে কিছু বলতে পারেননি। তবে এ বিষয়ে সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ছাত্রলীগ নেতা কায়েস।
ঢাকা, ৮ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) // কেএইচ





