ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের ফলে বিভ্রান্তিতে পড়েছে ক্যাম্পাসে অবস্থানরত শিক্ষার্থীরা।

ক্যাম্পাস সচল হওয়ার পর থেকে দিনে কয়েকবার লোডশেডিং হলেও গত তিন দিন ধরে লোডশেডিংয়ের মাত্রা ব্যাপক আকারে বেড়ে দাড়িয়েছে।

সারাদিনে যার সংখ্যা দাঁড়ায় ১৫-২০ বারে। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে লেখাপড়ার চরম বিঘ্নঘটছে। তবে প্রাকৃতিক দূর্যোগের দায় দিলেন কুষ্টিয়া বিদ্যুৎ বিতরণ কর্তৃপক্ষ।

জানা যায়, গত ৩ এপ্রিল ক্যাম্পাস খোলার পর থেকেই নিয়মিত লোডশেডিং দেখা দেয়। গত দু’দিনে আবহাওয়ার উষ্নতা বৃদ্ধির সাথে সাথে লোডশেডিংয়ের মাত্রাও বেড়ে যায়। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ প্রতিদিন সন্ধ্যায় কমপক্ষে ৩-৪ বার লোডশেডিং দেখা দেয়।

সাদ্দাম হোসেন হলের আবাসিক শিক্ষার্থী তবিবুর রহমান আকাশ বলেন-“ দিনে ১৫-২০ বার লোডশেডিং হয়। বার বার পড়ার টেবিল থেকে উঠে আসায় পড়ার মনযোগিতা নষ্ট হয়।

খালেদা জিয়া হলের আবাসিক ছাত্রী খাদিজাতুল কুবরা রাইসা এবং নাসিমা আক্তার সিমু বলেন-“সন্ধ্যায় পড়ার টেবিলে বসলে দফায় দফায় লোডশেডিংয়ের কারণে পড়া হয়না। লোডশেডিংয়ের কারণে আমাদের কম্পিউটার,ফ্যান,চার্জার লাইট গুলো নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। রাতের বেলায় গরমে ঘুমাতে পারি না।”

এসএইচ