বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে ১২জন শিক্ষক পদত্যাগ করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম নূর-উন-নবীর বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতা, শিক্ষকদের মূল্যায়ন না করা, গোপনে রেজিস্ট্রার নিয়োগ, শিক্ষকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ, শিক্ষা ছুটি না দেয়াসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ এনে তারা পদত্যাগ করেন।
শনিবার সকালে উপাচার্য বরাবর তারা পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।
জানা যায়, পদত্যাগকারী শিক্ষকরা হলেন, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) ড. মো. মোরশেদ হোসেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রভোস্ট ড. আবু কালাম মো. ফরিদ উল ইসলাম, শেখ মুজিবুর রহমান হলের হাউস টিচার মোহাম্মদ রফিউল আজম খান, হাউস টিচার খন্দকার জাহাঙ্গীর আলম, শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব হলের প্রভোস্ট মো. জাহিদ হোসেন, একই হলের হাউস টিচার এইচ এম তারিকুল ইসলাম, খন্দকার শারমিন আশরাফি, তাসনীম হুমাইদা, শেখ মুজিবুর রহমান হলের হাউস টিচার মোস্তাফিজুর রহমান, সাইবার সেন্টারের পরিচালক ড. আবু কালাম মো. ফরিদ উল ইসলাম, লাইব্রেরি পরিচালক ড. মতিয়ার রহমান এবং সহকারী প্রক্টর মো. শাহজাহান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. সরিফা সালোয়াবলেন, অধ্যাপক ড. এ কে এম নূর-উন-নবী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে যোগদান করার পর থেকেই শিক্ষকদের অবমূল্যায়ন করে আসছেন। শিক্ষকদের মতামত উপেক্ষো করেই তিনি এককভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে আসছেন। এটি দীর্ঘমেয়াদে বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করছে।
তিনি আরও জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২জন শিক্ষক প্রশাসনিক কাজে নিযুক্ত ছিলেন। তারা উপাচার্যের আচরণের কারণে প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে শনিবার পদত্যাগ করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নূর-উন-নবী বলেন, তারা (১২জন শিক্ষক) একটি স্মারকলিপি ও পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। তবে স্বাভাবিক নিয়মে এদের মধ্যে ১০জনের মেয়াদ আগামি মাসেই শেষ হয়ে যাবে। তারপরও বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ রক্ষায় আমি তাদের সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা করছি।
ঢাকা, ২৮ জুন (টাইমনিউজবিডি.কম) // কেএইচ





