নিত্য-নতুন কৌশলের আশ্রয় নেয়া সাইফুরস'স কোচিং সেন্টার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্তে রয়েছে। সমালোচনায় থাকা কোচিং সেন্টারটি এবার বিভিন্ন কোর্সে ছাড় দিয়ে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করছে শিক্ষার্থীদের।
'হ্যাকার' বানানোর প্রলোভন দেখিয়ে ইংরেজি শিক্ষার বিজ্ঞাপন দিয়ে সমালোচনায় থাকা কোচিং সেন্টারটির শিক্ষার্থী ভর্তির হার কমে যায় বলে জানিয়েছেন একাধিক শিক্ষার্থী। বিভিন্ন মহল থেকে সমালোচনা আসে সাইফুর'স কোচিং সেন্টারের বিরুদ্ধে।
কোচিং সেন্টারটির রাজধানীর পান্থপথ শাখার একাধিক শিক্ষার্থী বলেন, সম্প্রতি বিভিন্ন কোর্সে ছাড় দেয় কোচিং সেন্টারটি। এক শিক্ষার্থী বলেন, শিক্ষার্থীদের জ্ঞান অর্জন নয়, বরং মুনাফা আদায় করাই কোচিং সেন্টারটির উদ্দেশ্য।
এজন্য দেশের বিভিন্ন শাখায় কোচিং সেন্টারটি কোর্সগুলোতে নির্ধারিত আসনের থেকে অতিরিক্ত শিক্ষার্থী ভর্তি করে আসছে।
এক শিক্ষার্থী তার অভিযোগে বলেন, তিনি ৩০ জনের ব্যাচের একটি কোর্সে ভর্তি হলেও সেখানে একশ'র বেশি শিক্ষার্থী। অতিরিক্ত শিক্ষার্থীর কারণে দাঁড়িয়ে ক্লাস করানো হয়। এছাড়াও ক্লাসে জানার জন্য প্রশ্ন করলেও অপমান করা হয়। শিক্ষকরা দায়সারাভাবে ক্লাস নেন বলেও অভিযোগ এসেছে।
সমালোচিত এই কোচিং সেন্টারটি শিক্ষার্থী আকৃষ্ট করতে ওয়েবসাইটেও ছাড়ের ঘোষণা দিয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের অর্থ চুরির পর ইংরেজি শিক্ষার নামে বিজ্ঞাপন দিয়ে 'দক্ষ হ্যাকার' বানানোর প্ররোচনার অভিযোগ ওঠার পর এই কোচিং সেন্টারটির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।
শিক্ষামন্ত্রী দুদকের মাধ্যমে কোচিং সেন্টারটির অনিয়ম তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। ইতোমধ্যে দুদক কার্যক্রম শুরু করেছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষে কোচিং সেন্টারটির বিরুদ্ধে রমনা থানায় একটি জিডি দায়ের করা হয়েছে।
আপত্তিকর বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্য রমনা থানা পুলিশ কোচিং সেন্টারটির লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।
এমআইএস





