খালেদা জিয়ার বাসায় বিদ্যুত সংযোগ বিছিন্ন করার তীব্র্র প্রতিবাদ জানিয়েছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সংগঠোন জিয়া পরিষদ ও গ্রীণ ফোরাম।
চলমান অচল অবস্থাথেকে বেড়িয়ে আসতে সংলাপের মাধ্যমে সমঝতার তাগিদ দিয়েছেন শিক্ষকরা।
শনিবার সাংবাদিক দের সাথে মতবিনিময় সভায় সরকারের প্রতি এসব দাবি জানিয়েছে তারা।
গতকাল বেলা পৈনে ১২ টায় মানবিক ও সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ডিন অফিসের সভা কক্ষে জিয়া পরিষদের সভাপতি প্রফেসর ড.তোজাম্মেল হোসাইনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. আব্দুস শাহীদ মিয়ার পরিচালনায় এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় শিক্ষক নেতারা বলেন, সরকার সম্প্রচার নিতীমালার নামে গণমাধ্যমের স্বধীনতা হরণ করেছে।
সংবাদপত্র ও টিভি চ্যনেলগুলোর সম্পাদকদের গ্রেফতার ও হয়রানি মুলোক মামলা দিয়ে দেশের গণতন্ত্রকে বাক রুদ্ধ করেছে সরকার। সরকার একের পর এক সিদ্ধান্ত নিয়ে গণতন্ত্রকে হত্যাকরে বাকশাল কায়েমের চূরান্ত অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে।
দেশের চলমান অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে সরকার কেই সংলাপ ও সমঝতার দায়িক্ত নিতে হবে।
তারা আরো বলেন, স্বধীনতার র্দীঘ সময় পর গণতন্ত্র পুণরুদ্ধারের সংগ্রমে আবারও আমাদের নামতে হবে জানা ছিলনা। দেশের চলমান অবস্থা চলতে থাকলে দেশে গৃহ যুদ্ধের আশংকা প্রকাশ করে শিক্ষকরা।
এসময় শিক্ষক নেতারা বলেন, ছেলের মৃত্যুর শোক কেটে না উঠতেই শুক্রবার দিবাগত রাত পৈানে তিনটার দিকে বিএনপি চেয়ার পারসন বেগম জিয়ার গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ের বিদ্যুত সংযোগ বিছিন্ন করেছ যা অমানবিক।
আমরা এর তিব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি। তারা সরকারের নির্যাতনকে নজিরবিহীন উল্লেখ করে খালেদাজিয়াসহ দেশের সাধারণ মানুষের সাভাবিক জীবন যাত্রা নিশ্চিতের জন্য সরকারকে দ্রুত কার্যকর সংলাপের তাগিদ দিয়েছে।
এছাড়াও গত কাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপিন্থী কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলোমকে কোন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়াই কুষ্টিয়া থেকে গ্রেফতার এবং বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ওমর ফারুকের গ্রেফতারের ও তিব্র নিন্দা জানন হয় এ প্রতিবাদ সভা থেকে।
এসময় শিক্ষকেরা জাহাঙ্গির ও ফারুকের নি:শর্ত মুক্তির দাবি জানান। নির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্য কে আটকের বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দুর্বলতা হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।
সভায় শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান, গ্রীণ ফোরামের সভাপতি অধ্যাপক ড. শহীদ মুহা. রেজওয়ান, জিয়া পরিষদের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ড.এ কে এম মতিনুর রহমান, অধ্যাপক ড. আবু সিনা, অধ্যাপক ড. আইনুল হক আকন্দ, অধ্যাপক ড. আব্দুল মালেক, মো. ফখরুল ইসলাম, আবুল কাশেম, ড. আব্দুল গফুর গাজী, ড. রফিকুল ইসলাম, ড. মুস্তাফিজুর রহমান, ড. সেলিম রেজা, ড. আব্দুর রাজ্জাক, আশিক রায়হান, কর্মকর্তা সমিতির সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন বাবু সহ শতাধিক শিক্ষক-কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।
মতবিনিময় সভায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি ইমামুল হাছান আদনান (আলোকিত বাংলাদেশ), প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন (যুগান্তর), আয়াজ আজাদ (যায়যায়দিন), সাংবাদিক সমিতির কোষাধ্যক্ষ শাহজাহান নবীন (লোকসমাজ), কে এস পাঞ্জেরী (টাইম নিউজ),তবিবুর রহমান আকাশ (সংগ্রাম), সাহাদাত হোসেন তিমির (বাংলামেইল), সাইফুল্লাহ হিমেল (নয়াদিগন্ত), এজাজ খান (আরটিএনএন) সহ বিশ্ববিদ্যায়ে কর্মরত সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
এসএইচ





