অমর একুশে বইমেলায় বিদায়ের সুর বাজছে। এর মধ্যেই কিনে নিতে হবে পছন্দের বই—এই তাড়া থেকেই গতকালও মেলায় লোকসমাগম ছিল প্রচুর। বিকেলের পর থেকেই জমে ওঠে মেলা। অনেকে বিস্তীর্ণ প্রাঙ্গণ ঘুরে ঘুরে পছন্দের বই দেখেছে, কিনেছে এবং আড্ডা দিয়েছে।
বইমেলায় শেষ সময়ে লেখক, পাঠক ও প্রকাশকরা মিলিয়ে নিচ্ছেন মেলাকে ঘিরে তাদের চাওয়া-পাওয়া। পাঠকরা জানালেন, করোনা অতিমারির বদ্ধ দশা কাটিয়ে এই আয়োজনে ভালো সময় কেটেছে তাদের। শেষবেলার বেচাকেনাতে খুশি প্রকাশকরাও। মেলায় সময় ফুরিয়ে এলেও প্রতিদিনই প্রকাশিত হচ্ছে নতুন বই।
মাত্র একদিন পরই শেষ হবে অমর একুশে বই মেলা। লেখক, পাঠক, প্রকাশকের দীর্ঘ এক মাসের এই মিলনমেলা ফুরাবে আগামী ১৭ই মার্চ। শেষ সময়ে বেড়েছে ভীড়ও।
তাই তালিকা ধরে এখন বই কিনছেন পাঠকরা। অপরদিকে বেচাকেনা বেড়ে যাওয়ায় সব অভিযোগ ভুলে প্রকাশকদের মুখেও ফুটেছে হাসির ঝলক। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন এমন হাসি বিস্তৃত হোক আগামী মেলাতেও। আবারও প্রাণোচ্ছ্বল হয়ে উঠুক বাঙ্গালির প্রাণের এই মেলা।
আজ বুধবার (১৬ মার্চ) ছিলো বিশতম দিন। মেলা শেষ হওয়ার আগেই পছন্দের বই সংগ্রহ করে ফেলার জন্য স্টলগুলোতে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায় পাঠকদের।
মেলার এই শেষ সময়েও প্রতিদিন নতুন নতুন বই প্রকাশিত হচ্ছে। গতকাল মঙ্গলবার নতুন গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে ১২১টি। এবারে বিক্রি ভালো বলে খুশি স্টল কর্তৃপক্ষ।ফুরিয়ে আসছে মেলার সময়। ফুরাবে বাংলা একাডেমি ও সোহওরাওয়ার্দি উদ্যানে পাঠক-লেখকের আনাগোনা। তাই কিছুটা মন খারাপ সবার।
বাংলা একাডেমির সূত্রে জানা যায়, এ পর্যন্ত মেলায় প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা ৩ হাজার ১২৪টি। এরমধ্যে সোমবার এসেছে ৭৬টি। যার মধ্যে গল্প ১০টি, উপন্যাস ৮টি, প্রবন্ধ ৪টি, কবিতা ২৩টি, গবেষণা ৪টি, ছড়া ১টি, শিশুসাহিত্য ৩টি, জীবনী ৩টি, রচনাবলী ১টি, নাটক ১টি, ইতিহাস ২টি, রাজনীতি ১টি, স্বাস্থ্য ২টি, বঙ্গবন্ধু ২টি, ধর্মীয় ২টি, সায়েন্স ফিকশন ২টি এবং অন্যান্য ৪টি।
এবিএস





