গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে প্রায় ৪০ জনকে আটক করেছে বলে দাবি করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলোর পক্ষ থেকে।
রাজধানীর তেজগাঁও, মহাখালী এলাকায় বুধবার ভোর রাতে রেইড দিয়ে এদের আটক করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়। এদের অনেকে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সাথে জড়িত বলে জানা গেছে। তবে এ ধরনের আটকের কথা অস্বীকার করেছে পুলিশ।
আটক ছাত্রদের পরিবার ও অন্যান্য সূত্রে জানা যায়, বুধবার ভোর রাতে তেজগাঁও মহাখালী এলাকায় রেইড দিয়ে বিভিন্ন বাসা বাড়ী ও মেসে হানা দিয়ে প্রায় ৪০ জন ছাত্রকে আটক করে পুলিশ। এর মধ্যে সকাল ৬টায় ১৯/এ রসূলবাগ, হাজী বিল্ডিং, মহাখালী থেকে আটজন, সকাল ৬.৪৫ টায় ২১৫/৩, ইউসুফ কুঠির, তেজকুনিপাড়া, তেজগাঁও থেকে ১৬ জন, ২৪৮/২, বিজিপ্রেস, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থেকে সাতজনসহ মোট ৪০ জনকে আটক করা হয়।
তাদের বেশির ভাগই ঢাকা পলিটেকনিকের ছাত্র। অনেকে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির জন্য কোচিং করছে। তবে আটকের কথা অস্বীকার করছে পুলিশ।
আটকের পর অস্বীকারের বিষয়ে ছাত্রদের অভিভাবকরা জানান, আটকের সময় পুলিশ ছাত্রদের তেজগাঁও থানায় নেয়া হচ্ছে বলে অভিভাবকদের জানিয়েছিল।
পরে তেজগাঁও ও তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় যোগাযোগ করলে ছাত্রদের ডিবি অফিসে রাখা হয়েছে বলে জানানো হয়। কিন্তু ডিবি অফিসে যোগাযোগ করা হলে সেখান থেকে আটক ছাত্রদের ব্যপারে কোনো তথ্য দেয়া হচ্ছে না।
আটকের পর ২৪ ঘণ্টা অতিবাহিত হলেও কোর্টে না তোলায় অভিভাবকরা গভীর উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে। ছাত্রদের মাঝেও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
আটককৃতদের মধ্যে একজনের বাবা মাহবুবুল আলম বলেছেন, তিনি তার সন্তানের জন্য মিন্টু রোডস্থ ডিবি কার্যালয়ের সামনে অবস্থান করছেন। তিনি জানতে পেরেছেন তার সন্তান ওখানে আছে।সূএ-নয়া দিগন্ত
এমআর





