সংগঠনের ১১ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষাসেবা বিভাগের মাদক অধিশাখার তৈরি ইয়াবা চক্র-সংক্রান্ত গোপন প্রতিবেদনের ‘অধিকাংশ তথ্যকে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর দাবি করে’ ওই প্রতিবেদন কাদের মাধ্যমে তৈরি হয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছে ছাত্রলীগ।

সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়ায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

চলতি মাসের শুরুর দিকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এবং রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মচারীসহ ৪৪ জন ইয়াবা ব্যবসা চক্রে জড়িত বলে প্রতিবেদন তৈরি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষাসেবা বিভাগের মাদক অধিশাখা। যে প্রতিবেদনটি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর হয়ে রাজশাহী মহানগর পুলিশ কমিশনারের কাছে আসে। প্রতিবেদনের একটি কপি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়। যে প্রতিবেদনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১ ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীর নাম আছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়।

সংবাদ সম্মেলনের লিখিত বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বলেন, ‘৯ নভেম্বর কিছু ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে রাবি ছাত্রলীগের ১১ জন নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে ইয়াবা ব্যবসা চক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকার যে অভিযোগ এনেছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ছাত্রলীগ রাবি শাখা এ ভিত্তিহীন সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও ক্ষোভ প্রকাশ করছে। সেই সঙ্গে আমরা লক্ষ্য করেছি, কিছু শিক্ষককেও এর মধ্যে জড়ানো হয়েছে। আমরা মনে করি, একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ছাত্র এ রকম হীন ও ঘৃণ্য কাজের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে না।’

পরে তদন্ত প্রতিবেদন খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য অধ্যাপক আনন্দ কুমার সাহার কাছে স্মারকলিপি দেয় ছাত্রলীগ।