শিক্ষা প্রশাসনে বড় ধরনের রদবদল শুরু হয়েছে। আজ (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যায় ৯ জন উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে অন্যত্র বদলি করা হয়েছে।

আরও বদলির ফাইলে স্বাক্ষর করেছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর মাহাবুবুর রহমান। এরমধ্যে আছেন, ৭জন জেলা এবং ২০জন উপজেলা শিক্ষা অফিসার। 

তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে এমপিওভূক্তিতে শিক্ষকদের হয়রানি, ঘুষ’সহ নানা ধরনের অভিযোগ রয়েছে।

জেলা ও উপজেলার দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের বদলির পর বিভিন্ন বোর্ডের কর্মরত শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাদের প্রেষণ বাতিল করা হবে। এরমধ্যে ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের সচিব শাহেদুল খবির চৌধুরী, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক তপন কুমার সরকার, কলেজ পরির্দশক আশফাকুস সালেহীন রয়েছে।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে একটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনের আলোকে এ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

মাউশির মহাপরিচালক প্রফেসর মাহাবুবুর রহমান সন্ধ্যায় বলেন, যাদের বদলি করা হয়েছে তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ ছিল। এসব অভিযোগের আলোকে বদলি করা হয়েছে। এ বদলি চলমান থাকবে। তবে কতজনকে বদলি করা হচ্ছে, এই তালিকায় কারা কারা আছেন তা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন তিনি। মাহাবুবুর বলেন, শুধু চোখ রাখেন। সব স্পষ্ট হবে।  

সূত্রে জানা গেছে, বদলি হওয়ার কর্মকর্তাদের মধ্যে নেত্রকোনার কমলাকান্দার উপজেলা শিক্ষা অফিসার এস এম আব্দুল ওয়াজেদ তালুকদারকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর। ময়মনসিংহ ত্রিশালের ঝিল্লুর রহমান আনমকে খাগড়াছড়ির গুইমারা। চাপাঁইনবাবগঞ্জের নোচোলের শিক্ষা অফিসার কাজী আ. মোকিমকে শরীয়তপুরের ডাকড্যা। মাদারীপুরে সদর উপজেলার শিক্ষা অফিসার এস এম সাইফুল আলমকে পটুয়াখালীর দুমকি।

মাদারীপুর কালকিনির আব্দুল জলিলকে নওগাঁও রানীনগর। মাদারীপুর রাজৈর উপজেলা শিক্ষা অফিসার সনজিব কুমার বালাকে বান্দরবানের রুয়াংছড়ি। শরীয়তপুর ভেদরগঞ্জ মনিরুজ্জামান চৌধুরীকে রাঙামাটির কাউখালী। ঠাকুরগাঁও পীরগঞ্জের আরিফুল্লাহকে কক্সবাজারের রামু। বরিশালের বানারীপাড়া অলী আহাদকে খাগড়াছড়ি সদরে পাঠানো হয়েছে।

আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি মধ্যে তারা বিমুক্ত না হলে ঐ দিন বিকালের পর তা তাৎক্ষণিক বিমুক্ত হবে বলে অর্ডারে বলা হয়।   

এমবি