এই বছর অর্থ্যাৎ ২০১৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে স্থায়ী ক্যাম্পাসে না গেলে জানুয়ারি থেকে ৩১টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কার্যক্রম বন্ধ করে দেবে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন।
গত সপ্তাহে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে এ সংক্রান্ত চিঠি দেয়া হয়েছে। এদিকে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতি বলছে অর্থসংকটে বেশিরভাগ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থায়ী ক্যাম্পাসে যেতে পারছে না।
পুরনো ৫১টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরের মধ্যে স্থায়ী ক্যাম্পাসে যাওয়ার সময় দেয় মঞ্জুরি কমিশন। এরপর সময় বাড়ানো হয় আরো চার দফা। সবশেষে সময় বেঁধে দেয়া হয় গত ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত। এরপর আরো ৬ মাস সময় বাড়ানো হয়। সেই সময়ও পার হয়ে গেছে চার মাস।
বেঁধে দেয়া সময়ে ২০টি স্থায়ী ক্যাম্পাসে গেলেও ৩১টির কোন ভ্রুক্ষেপ নেই। এগুলোর বেশ কয়েকটি আবার প্রথম শ্রেণির। অনেক বিশ্ববিদ্যালয় জমি কিনলেও সেখানে অবকাঠামোগত কাজ শুরু করেনি। এঅবস্থায় এসব বিশ্ববিদ্যালয় এ বছরের মধ্যে স্থায়ী ক্যাম্পাসে না গেলে তারা আর নতুন করে শিক্ষার্থী ভর্তি করতে পারবে না।
ডিসেম্বর পর্যন্ত ওই ৩১ বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে। এদিকে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতি বলছে, স্থায়ী ক্যাম্পাসে গেলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো চরম শিক্ষক সংকটে পড়বে।
জমি সংক্রান্ত জটিলতা এবং বিদ্যুৎ সংযোগ না পাওয়ায় অনেক বিশ্ববিদ্যালয় স্থায়ী ক্যাম্পাসে যেতে পারছে না বলেও দাবি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির।
জেড





