ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটেও (আইবিএ) দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষা দেওয়া যাবে না। ২০১৪ সালে যাঁরা উচ্চমাধ্যমিক পাস করেছেন তাঁরা আর আইবিএতে ভর্তির জন্য পরীক্ষা দিতে পারবেন না। পরীক্ষার্থীরা বলছেন, সিদ্ধান্তটি সম্পর্কে তাঁরা আগে থেকে জানতেন না।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে ‘আইবিএ নোটিশ’ একটি বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশিত হয়েছে। ওই বিজ্ঞপ্তিতে দেখা যায়, আইবিএতে ভর্তির যোগ্যতা হিসেবে বলা হয়েছে, যাঁরা ২০১৫ সালে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেছেন তাঁরাই কেবল ইনস্টিটিউটে ভর্তি পরীক্ষা দিতে পারবেন।
এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ইউনিটে দ্বিতীয়বার ভর্তি পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ বন্ধ হয়েছে।
আগামী ২০ নভেম্বর আইবিএ ভর্তি পরীক্ষা হবে। পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার যোগ্যতা হিসেবে বলা আছে, ২০১০ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে মাধ্যমিক ও ২০১৫ সালে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয়সহ যাঁরা জিপিএ সাড়ে সাত পেয়েছেন, তাঁরাই ভর্তি পরীক্ষার জন্য আবেদনের যোগ্য হবেন।
এর প্রতিবাদে আগামীকাল বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করবেন আইবিএ ভর্তি-ইচ্ছুকেরা।
আজ বুধবার ‘সম্মিলিত ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ’ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, ‘এই সিদ্ধান্ত আমরা যাঁরা দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম বারের ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থী, তাঁদের জন্য আত্মঘাতি সিদ্ধান্ত। আমরা শুধু আইবিএতে পরীক্ষা দেব, সে স্বপ্ন নিয়ে অন্য সব পড়াশোনা বাদ দিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। হুট করে এমন একটি ঘোষণা দিয়ে আমাদের পাঁচ হাজার ছাত্র-ছাত্রীর স্বপ্ন ভেঙে দিতে পারে না।’
আইবিএতে কয়েকজন শিক্ষার্থী প্রথম আলো কার্যালয়ে এসে বলেন, যেহেতু আইবিএ একটি আলাদা ইনস্টিটিউট, এবং এখানে আলাদা পরীক্ষা হয়, তাই তাঁরা ভেবেছিলেন, আইবিএতে দ্বিতীয়বারের শিক্ষার্থীদের জন্য সুযোগ থাকবে। কিন্তু নভেম্বরে পরীক্ষা, আর এখন সার্কুলারে বলা হচ্ছে, দ্বিতীয়বার পরীক্ষা দেওয়া যাবে না, এটি অন্যায় ও অন্যায্য।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আইবিএ’র পরিচালক অধ্যাপক এ কে এম সাইফুল মজিদ প্রথম আলোকে বলেন, সাধারণ ভর্তি কমিটির সভায় যে সিদ্ধান্ত হয়েছে, এটা সবার জন্য প্রযোজ্য। কেউ হয়তো নিজের স্বার্থে শিক্ষার্থীদের এটা বোঝানোর চেষ্টা করেছে যে, আইবিএতে দ্বিতীয়বার পরীক্ষা দেওয়া যাবে।
এআই





