রাজধানীর শাহবাগে ছাত্র আন্দোলনে আহত সিদ্দিকুর রহমানের চিকিৎসার দায়িত্ব নেয়া ও মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে তিতুমীর কলেজ শিক্ষার্থীদের আহুত মানববন্ধনে হামলা চালিয়েছে ছাত্রলীগ।

আজ রোববার সকালে প্রথমে কলেজ ক্যাম্পাসে মানববন্ধন করতে গেলে দাঁড়ানোর সুযোগ না দেয়ায় ১১টার দিকে মহাখালীর আমতলী এলাকায় মানববন্ধনে দাঁড়ান দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী।

মানববন্ধন শুরু হবার ১৫ মিনিটের মধ্যে কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি কাজী মিরাজুল ইসলাম ডলার এবং সাধারণ সম্পাদক মানিক হোসেন মানিক একদল ছাত্রলীগ নেতাকর্মী নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়।

এ সময় মানববন্ধনকারী পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মামুন, আনারুলসহ ৩ জনকে মারপিট করা হয়। পরে সেখান থেকে সব শিক্ষার্থীকে জোর করে কলেজ ক্যাম্পাসে নিয়ে যায় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা।

গত বৃহস্পতিবার রুটিনসহ পরীক্ষার তারিখ ঘোষণার দাবিতে শাহবাগে অবস্থিত জাতীয় জাদুঘরের সামনে অবস্থান নিয়ে আন্দোলন শুরু করে শিক্ষার্থীরা।

আন্দোলনে অংশ নেন ঢাবির অধিভুক্ত ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা কলেজ, সরকারি তিতুমীর কলেজ, কবি নজরুল ইসলাম কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ও মিরপুর বাংলা কলেজের শিক্ষার্থীরা।

পুলিশ শিক্ষার্থীদের সেখান থেকে সরিয়ে দিতে গেলে সংঘর্ষ হয়। এসময় পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে। তাদের লাঠিপেটা ও আটকের ঘটনা ঘটে বলেও অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

এতে পুলিশের কাঁদুনে গ্যাসের শেল লেগে তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়। শেলের আঘাতে তার দুই চোখ নষ্ট হবার আশঙ্কা। সিদ্দিকুরে চোখ আর ফিরে পাবে কি না তা নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন ডাক্তাররা।

এদিকে এ ঘটনায় শনিবার পুলিশ বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় অজ্ঞাত ১২০০ জনকে আসামি করে মামলা করে।

এমবি