ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে ১১৪ কোটি ২ লাখ টাকার বাজেট চূড়ান্ত অনুমদোন দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মুঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)। ৫৮ কোটি ৯৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা ঘাটতির বোঝা মাথায় রেখেই এ বাজেট পাশ করা হয়। এতে বাজেট ঘাটতির পরিমান বিশ্ববিদ্যালয়ের আগামী এক বছরের জন্য বরাদ্দকৃত মোট বাজেটের অর্ধেকেরও বেশি।
বাজেট ঘাটতির পেছনে বিশ্ববিদ্যালয় মুঞ্জুরী কমিশনের অনুমদোন ছাড়াই ১২৩ জন অতিরিক্ত জনবলের বেতন-ভাতাকেই প্রধান কারণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে। একই সাথে ইবি ল্যাব স্কুলে প্রতিবছর প্রায় ১ কোটি টাকা ঘাটতি হচ্ছে। এছাড়া শিক্ষকদের পিএ বিলসহ বিভিন্ন খাতে অতিরিক্ত ব্যায়ের কারণে এ বিশাল ঘাটতির সৃষ্টি হয়েছে। তবে বর্তমান প্রশাসনের ব্যায় সঙ্কচোন নিতী কতটুক ঘাটতি কমাতে পারে সেটাই দেখার বিষয়।
ট্রেজারার অফিসের তথ্য মতে, চলতি অর্থ বছরে ইউজিসিতে ১৮৩ কোটি ১৮ লক্ষ টাকার চাহিদা দেখিয়ে বাজেট প্রস্তাব করে ইবি প্রশাসন। ব্যায়ের খাত ও নিজস্ব আয় বিবেচনা করে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) ২০১৭-১৮ অর্থ বছরের জন্য ১০৪ কোটি ২ লক্ষ টাকা বাজেট পাশ করে। এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ১০ কোটি আয়সহ এবছর মোট বাজেট দাড়াচ্ছে ১১৪ কোটি ২ লক্ষ। ১৯৯৫-৯৬ থেকে ২০১৫-১৬ পর্যন্ত ২১ টি অর্থ-বছরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ঘাটতি দাড়িয়েছে ৫৭ কোটি ৯৪ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা।
বাজেট ঘাটতি বিষয়ে ট্রেজারার প্রফেসর ড. সেলিম তোহা বলেন, ‘ঘাটতি কমাতে আভ্যন্তরিন আয়কে যথাযথ ব্যবহারের উদ্যোগ নিয়েছে প্রশাসন। এছাড়া পরিমিত ব্যায়, অর্থের সুষ্ঠ ব্যবহার ও ইউজিসির সম্পূরক বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ অনেকাংশে কমে আসবে বলে আশা করছি।’
হিমেল/এমই





