জাতীয়করণের দাবিতে চতুর্থ দিনের মতো বুধবার (১৯ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান ধধর্মঘট পালন করেছে বাংলাদেশ বেসরকারি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি।
অবিলম্বে তারা প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার বাস্তবায়ন দাবি করেন। এতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে শিক্ষকরা অংশ নেন।
অবস্থান কর্মসূচিতে শিক্ষকনেতারা বলেন, ২০১৩ সালে প্রধানমন্ত্রী ২৬ হাজার ১৯৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের ঘোষণা দিয়ে বঙ্গবন্ধুর মতো আরও একটি ইতিহাস রচনা করেছেন। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, জাতীয়করণকালীন যেসব বিদ্যালয় পরিসংখ্যান করা হয়েছিল, তার সংখ্যা যথাযথ না হওয়ায় জাতীয়করণযোগ্য আরও কিছুসংখ্যক বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কর্মরত শিক্ষক জাতীয়করণ হতে বঞ্চিত হন।
তৃতীয় ধাপের বিদ্যালয়গুলোর ক্ষেত্রে ২০১২ সালের ২৭ মের আগে স্থাপিত ও পাঠদানের অনুমোতির জন্য আবেদনকৃত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করা হবে- এমন ঘোষণা দেয়া হলেও অদ্যাবধি তা করা হয়নি।
তারা বলেন, আমাদের আন্দোলন শান্তিপূর্ণ। কোনো প্রকার সহিংসতা বা কারও প্ররোচনায় নয়। আমরা বছরের পর বছর বিনা বেতনে বিদ্যালয়ে কর্মরত থেকে এদেশের শিশুদের পাঠদান করে আসছি। আমাদের অনেক শিক্ষক এরই মধ্যে চাকরির বয়সসীমা হারিয়েছেন।
আমরা ঠিকমতো সংসার চালাতে পারছি না। প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার জন্য অনেক কিছু করছেন। আর মাত্র কিছু বিদ্যালয় জাতীয়করণ করে বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মুখে দু’মুঠো ভাতের জোগান দিতে প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করেন শিক্ষকরা।
অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন- শিক্ষক সমিতির সভাপতি মামুনুর রশিদ খোকন, মহাসচিব মো. কামাল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জাফর ইকবাল, সমিতির কেন্দ্রীয় নেতা মো. মিজানুর রহমান, মো. বদরুল আমিন সরকার ফরহাদ, মো. ফিরোজ উদ্দিন, মো. হারুন অর রশিদ, মো. আশরাফুল আলম, নীলা রানী দাস প্রমুখ।
এসএম/এমবি





