শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ রয়েছে এমন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান বিশেষ করে কোচিং সেন্টারগুলোকে নজরদারিতে রাখার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, কোনো ব্যক্তি বা স্কুলের বিরুদ্ধে প্রশ্ন ফাঁসে জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আজ সোমবার মন্ত্রী ঢাকার তেজগাঁওয়ে বিজি প্রেসের সভাকক্ষে জেএসসি, জেডিসি পরীক্ষা উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত সভায় সভাপতির বক্তব্যে এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। আসন্ন জেএসসি, জেডিসি পরীক্ষা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার জন্য তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্টদের যথাযথভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।
সুষ্ঠু, ইতিবাচক ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা সম্পন্ন করার জন্য প্রশ্নপত্র মুদ্রণ, বিতরণ, গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা বিষয়ে জাতীয় মনিটরিং কমিটি এ সভার আয়োজন করে।
সভায় শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পাবলিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের আশঙ্কা দূর করতে বিজি প্রেসে প্রশ্নপত্র ছাপানোর ক্ষেত্রে নিরাপত্তা-ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে সেরা স্কুলের তালিকা প্রকাশ বন্ধ করা হয়েছে। এর আগে প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ যাদের বিরুদ্ধে উঠেছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
বৈঠকে পরীক্ষা শুরুর ঠিক আগ মুহূর্তে পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে যাতে প্রশ্নপত্র ফাঁস না হয় সে ব্যাপারে দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য শিক্ষা বোর্ড ও জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে ভুয়া প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে যাতে কেউ প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব ছড়াতে না পারে সে ব্যাপারে নজরদারি রাখার জন্য বৈঠকে বিটিআরসির প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
বৈঠকে শিক্ষাসচিব নজরুল ইসলাম খানসহ মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর, শিক্ষা বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ কে এম মানজুরুল হক, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, তথ্য মন্ত্রণালয়, আইসিটি বিভাগ, র্যাব, পুলিশ সদর দপ্তর, সিআইডি, ডিএমপি ও ডিবির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এএইচ





