নড়াইল জেলার সরকারি ভিক্টোরিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের বাংলা বিভাগের স্নাতক সম্মান কোর্সের ছাত্র লোকমান হোসেন ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকার কারণে দীর্ঘদিন ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে না পারায় পড়াশোনা বিঘ্নিত হচ্ছে।

এদিকে,বড় ভাই যুবদলের নেতা হওয়ায় ভাইয়ের সাথে তাকে রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। তার পারিবারিক ও দলীয় সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

সূত্রে আরো জানা যায়, জেলার কালিয়া উপজেলার চাঁচুড়ী গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা মো.আনোয়ার হোসেনের ছোট সন্তান লোকমান। সে পড়াশোনার পাশাপাশি একাধারে ছাত্রনেতা,নাট্যাভিনেতা ও মডেলসহ বহুমূখী প্রতিভার অধিকারী।

মুক্তিযোদ্ধা পিতার মৃত্যুর পর বড় ভাই মুনির হোসেন ছিলেন তার একমাত্র অভিভাবক। মুনির জাতীয়তাবাদী যুবদলের ঢাকা মহানগরের ৩নং ওয়ার্ডের সভাপতি। তিনি ক্ষমতাসীন দলের হামলা-মামলায় ফেরারী আসামী।

তার অবর্তমানে প্রতিহিংসা ও প্রতিশোধের ক্ষোভ থেকে একের পর এক মিথ্যা মামলায় জড়ানোসহ লোকমানের উপর নেমে আসে অত্যাচারের খড়গ।

‘২০১৩ সালের মার্চে ঢাকায় বড় ছেলের বাসা থেকে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাকে না পেয়ে   ছোট সন্তান লোকমানকে অস্ত্র মামলায় গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করে। এমনকি নড়াইল জেলা শহরের একটি বসত বাড়ি জোরপূর্বক দখল করে নিয়ে গেছে ক্ষমতাসীন ক্যাডাররা।’

এভাবে পাহাড়সম ক্ষোভ আর কষ্ট নিয়ে কথাগুলো বলছিলেন, চাঁচুড়ী গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা মো.আনোয়ার হোসেনের বিধবা পত্নী লোকমানের মাতা ষাটোর্ধ্ব আলেয়া বেগম।

একই প্রসঙ্গে কালিয়া উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আর্মস্ট্রং বলেন, লোকমান হোসেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ভিক্টোরিয়া কলেজ শাখার প্রচার সম্পাদক। সে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে আজ ফেরারী জীবন-যাপন করছে।

এসএইচ