টানা চতুর্থ দিনের মতো অবরোধ কর্মসূচি পালন করছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ। শনিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কোনো শিক্ষকবাস ছেড়ে যায়নি। শিক্ষার্থীদের শাটল ট্রেনও চলাচল করেনি। এতে অচল হয়ে পড়েছে ক্যাম্পাস।
জানা গেছে, শুক্রবার গভীর রাতে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবহন দপ্তরে থাকা প্রায় সব ক’টি বাসের ইঞ্জিন সুইচের চাবিতে সুপার গ্লু ও বালি দিয়েছে অবরোধকারীরা। ড্রাইভারদের বাড়িতে গিয়ে মুখোশ পরা ১০/১২ যুবক বাস না চালানোর জন্য হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
সকালে নন্দীর হাট এলাকায় রেল লাইনে আগুন দিয়েছে চট্টগ্রাম নগর আওয়ামী লীগ সভাপতি এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর অনুসারী ছাত্রলীগ কর্মীরা।
ষোল শহর স্টেশন মাস্টার মো. সাহাবউদ্দিন জানান,যতক্ষণ পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ট্রেন চালকদের নিরাপত্তা দিতে না পারবে ততক্ষণ পর্যন্ত ট্রেন ছাড়া হবে না। রেল কর্তৃপক্ষের সাথে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কোন সমঝোতা না হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় শাটল ট্রেন চট্টগ্রাম রেলের ডকে রেখে দেওয়া হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর সিরাজ উদ দৌল্লাহ বলেন,ভিসি স্যার দেশের বাইরে ছিলেন। তিনি গত রাতে ক্যাম্পাসে ফিরেছেন। একটা সমাধান হলে আজকের মধ্যেই ট্রেন ছাড়া হবে।
গত ৫ এপ্রিল চবি ক্যাম্পাসে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা নাসির হায়দার বাবুলকে জুতার মালা পরিয়ে লাঞ্ছিত করে ছাত্রলীগের একাংশ। লাঞ্ছিতকারীদের শাস্তির জন্য চবি ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সুমন মামুন-এর অনুসারীরা দীর্ঘ এক মাস ধরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়ে আসছে। প্রশাসন এই দাবির সাথে একমত না হওয়ায় গত বুধবার থেকে প্রক্টরের পদত্যাগের দাবিতে ক্যাম্পাসে লাগাতার অবরোধ ঘোষণা করে তারা।
[b]ঢাকা, ১০ মে (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেএ[/b]
শিক্ষা
অচল হয়ে পড়েছে চবি ক্যাম্পাস
টানা চতুর্থ দিনের মতো অবরোধ কর্মসূচি পালন করছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ। শনিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কোনো শিক্ষকবাস ছেড়ে যায়নি। শিক্ষার্থীদের শাটল ট্রেনও চলাচল করেনি। এতে অচল হয়ে পড়েছে ক্যাম্পাস





