বাবা মুক্তিযোদ্ধা নয়। বাবার নাম মিল থাকায় অন্য মুক্তিযোদ্ধাকে নিজের বাবা পরিচয় দিয়ে মুক্তিযোদ্ধার সনদ দেখিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে এক শিক্ষার্থী ভর্তি হওয়ার অভিযোগ এনেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বিষয়টি গভীরভাবে খতিয়ে দেখতে ইতোমধ্যে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছে কর্তৃপক্ষ। কমিটিকে শনিবার থেকে আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

জানা যায়, ইংরেজি বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ভর্তি হয় সাকিব আহমেদ নামে এক শিক্ষার্থী(রোল নাম্বার ১০১ রেজিঃ ৮৫৫)। সে নিজেকে ঝিনাইদহ সদর খাজুরা গ্রামের আরিফুর রহমানের পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজুর রহমানকে বাবা পরিচয়ে উল্লেখ করে আজিজুর রহমানের মুক্তিযোদ্ধা সনদ প্রদান করে।

প্রশাসনের দাবি, গোপন সূত্রে জানা যায়, সাকিব আহমেদ ঝিনাইদহ হরিণাকুন্ড থানার মকিমপুর গ্রামের আজিজুর রহমানরে পুত্র। তার দাদার নাম শামসুদ্দিন লস্কর। তার দাদা বা বাবা কেউই মুক্তিযোদ্ধা নয়। ধারণা করা হচ্ছে, সাকিবের বাবার নামের সাথে মুক্তিযোদ্ধা আজিজুর রহমানের নামের মিল থাকায় নিজের পরিচয় গোপন করে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কোটায় ভর্তি হয়েছে সাকিব।

সম্প্রতি সাকিবের জালিয়াতির বিষয়টি প্রশাসন জানতে পারে। পরে ঘটনার সত্যতা জাচাই করতে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে প্রক্টর প্রফেসর ড. মাহবুবর রহমানকে আহবায়ক ও ছাত্র উপদেষ্টা প্রফেসর ড. আনোয়ারুল হক এবং একাডেমিক শাখার প্রধান উপ রেজিস্ট্রার এ.টি.এম এমদাদুল আলমকে সদস্য করা হয়েছে। কমিটিকে শনিবার থেকে আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

হিমেল/এআই