জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) মাওলানা ভাসানী হল শাখা ছাত্রলীগের এক গ্রুপের উপর অন্য গ্রুপের হামলা, লুটপাট ও হলে ভাঙচুরের ঘটনায় ছাত্রলীগের ২৩ নেতাকর্মীকে ১২ লাখ ৭৭ হাজার ৫২ টাকা জরিমানা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
এর আগে, শনিবার রাতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলামের সভাপতিত্বে প্রশাসনিক ভবনের কাউন্সিল কক্ষে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভায় ছাত্রলীগের ২৩ নেতাকর্মীকে বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
এদের মধ্যে পাঁচজনকে আজীবন, সাতজনকে দুই বছর, তিনজনকে এক বছর, দুইজনকে ছয় মাস, ছয়জনকে তিন মাসের বহিষ্কারের পাশাপাশি ক্যাম্পাসে অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হয়। পাশাপাশি, জাবি শাখা ছাত্রলীগের সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক রাসেল মাহমুদের সনদপত্র স্থগিত করা হয়েছে।
এদের মধ্যে আজীবন বহিষ্কৃতরা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিঙ ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী কে. এম নুরন্নবী, সহ-সম্পাদক ইসতিয়াক আহমেদ বিজয় (রসায়ন বিভাগ), মওলানা ভাসানী হল শাখার সাধারণ সম্পাদক অনিন্দ বাড়ৈ (নৃবিজ্ঞান বিভাগ), ছাত্রলীগ কর্মী কিশোর দাশ (পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগ) ও এখতেখারুজ্জান সঞ্জয় (ইতিহাস বিভাগ)।
দুই বছরের জন্য বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ কর্মীরা হলেন- সাদ্দাম হোসেন (৪১ ব্যাচ), আদেল আল নোমান (৪২ ব্যাচ), মঈনুল হোসেন রাজন (৪১ ব্যাচ), রাজ প্রসাদ রাজ (৪২ ব্যাচ), নাইমুল ইসলাম নাঈম (৪১ ব্যাচ), তানভীর আহমেদ সজীব (৪২ ব্যাচ) ও কাজী আসাদুল্লাহ তোহা (৪২ ব্যাচ)। এক বছরের জন্য বহিষ্কৃতরা হলেন- নিশাত রহমান রামিম (৪২ ব্যাচ), শিহাব খন্দকার সুজন (৪১ ব্যাচ) রায়হান হাবিব হিমেল (৪২ ব্যাচ)। ছয় মাসের জন্য বহিষ্কৃতরা হলেন- শাকিলউজ্জামান (৪২ব্যাচ) শান্ত কুমার নাথ (৪১ ব্যাচ)। তিন মাসের জন্য বহিষ্কৃতরা হলেন- অভিজিত কুমার (৪২ ব্যাচ), দেলোয়ার জাহান (৪৩ ব্যাচ), পাভেল রহমান (৪২ ব্যাচ), আব্দুল মোমিন চঞ্চল (৪২ ব্যাচ) এহসানুর রহমান আবির (৪২ ব্যাচ)।
এ বিষয়ে রেজিস্টার আবু বকর সিদ্দিক বলেন, ‘অপরপক্ষের উপর হামলা, লুটপাট ও হলে ভাঙচুরের ঘটনায় তাদের বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কারের পাশাপাশি আর্থিক জরিমানা করা হয়েছে।'
কেএইচ





