জাহাঙ্গীরনগর বিশ্বদ্যালয়ের (জাবি) ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণীর ভর্তি পরীক্ষায় শৃংখলা রক্ষার দায়িত্ব পালন করছে জাবি রোভার স্কাউট।
৮ অক্টোবর ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার মধ্যদিয়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণীর ভর্তি পরীক্ষা শুরু হয়। চলবে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত।
এবারের ভর্তি পরীক্ষায় ৫ টি অনুষদ ও ৪ টি ইনস্টিটিউটে মোট ২ লাখ ৯৯ হাজার ১৭১ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহন করছে। বিশাল সংখ্যক এই পরীক্ষার্থীদের শৃংখলার সাথে ভর্তি পরীক্ষা নিশ্চিত করার দায়িত্ব পড়েছে জাবি রোভার স্কাউটসহ ক্যাম্পাসের অনান্য সংগঠনের উপর। এ দায়িত্ব পালনের জন্য রোভার স্কাউটের মোট ৩৫ জন সদস্য নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
প্রতিদিন সকাল ৮ টা থেকে শুরু করে পরীক্ষা শেষ হওয়া (সন্ধ্যা ৬ টা) পর্যন্ত তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ভবনের গেটে ভর্তিচ্ছুদের শৃংখলা রক্ষা, প্রবেশপত্র যাচাই, প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদেরকে পরীক্ষা কক্ষে পৌছে দেয়াসহ সাধারন ভর্তিচ্ছুদের আসন খুঁজে পেতে সহযোগিতা করছে।
এছাড়া ভর্তি পরীক্ষা চলাকালীন যে কোন ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানোর জন্যও কাজ করে কাজ করে যাচ্ছে জাবি রোভার স্কাউটের সদস্যরা।
নতুন কলা ও মানবিকি অনুষদ, সিএসই ভবন, পদার্থ ভবন, রসায়ন ভবন , জীব বিজ্ঞান অনুষদ এবং মাইক্রোবায়োলজি অনুষদে দায়িত্ব পালন করছে জাবি রোভার স্কাউট সদস্যরা।
রোভার স্কাউটের এসআরএম (সভাপতি) নওশাদ নাবিল বলেন, মানবতার সেবায় নিজেদের নিয়োজিত করার লক্ষ্যে জাবি রোভার স্কাউট ভর্তিচ্ছুদের সর্বাত্মক সহায়তা করার জন্য বিগত বছরগুলোর ন্যায় এবছরেও দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।
রোভার স্কাউটের এএসআরএম (সেক্রেটারি) সাব্বির আহম্মেদ বলেন মানুষের সেবা করার অভিপ্রায় নিয়ে বড় হয়েছি। জাবি রোভার স্কাউট সে কাজ আরও সহজ করে দিয়েছে। ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াতে পেরে খুব ভালো লাগছে।
এদিকে রোভার স্কাউটের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক ড. খন্দকার শামীম আহমেদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোন প্রয়োজনে সহায়তা করতে জাবি রোভার স্কাউট সদাপ্রস্তুত। এছাড়াও তিনি দায়িত্বরত রোভার স্কাউটের সকল সদস্যদের অভিনন্দন জানান এবং যথাযথভাবে দায়িত্ব পালনের আহবান জানান।
এমএ





