বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ (২১) হত্যার ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শাখা ছাত্রলীগের দুই নেতাকে আটক করেছে পুলিশ।

আটককৃতরা হলেন- বুয়েট ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল ও সহ-সভাপতি মুস্তাকিম ফুয়াদ।

আবরার ফাহাদ গতকাল (রোববার) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন।

আজ (০৭ অক্টোবর) সোমবার ভোরে বুয়েটের শেরে বাংলা হলের প্রথমতলা ও দ্বিতীয়তলার মাঝামাঝি সিঁড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কমকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোহরাব হোসেন বলেন, “আমরা ধারণা করছি রাত দুইটা থেকে আড়াইটার দিকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। আমরা মরদেহ উদ্ধার করেছি ভোরে।” সোহরাব জানান, নিহতের পায়ের উপরে আঘাতের চিহ্ন ছিল।

ওসি বলেন, আবরার ফাহাদ হত্যার ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ফুয়াদ ও রাসেল নামে দুজনকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। তাঁরা দুজনই বুয়েটের শিক্ষার্থী, শের-ই-বাংলা হলে থাকেন।

আবরার সর্বশেষ শনিবার বিকেল ৫টা ৩২ মিনিটে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন। সেখানে তিনি সাম্প্রতিক বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে লিখেছেন।

ধারণা করা হচ্ছে- ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেয়া স্ট্যাটাসের কারণে তাকে শিবিরকর্মী সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

আবরার ফাহাদ বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের (ইইই) বিভাগের লেভেল-২ এর টার্ম ১ এর ছাত্র ছিলেন। তিনি শের-ই বাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন। তার বাড়ি কুষ্টিয়া শহরে। কুষ্টিয়া জেলা স্কুলে তিনি স্কুলজীবন শেষ করে নটরডেম কলেজে পড়েন।

এমবি