বিশ্বের তথা দেশের সর্ববৃহৎ বিশ্ববিদ্যালয় (সারা দেশে ছড়িয়ে যার ক্যাম্পাস) হিসেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর তাদের প্রথম সমার্বতনের মাধ্যমে বিশ্বের ইতিহাসে নজির সৃষ্টি করবে বলে মনে করেন বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রাক্তন-বর্তমান শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্টরা।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ‘১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত বৃহৎ বিশ্ববিদ্যালয়টি ২৩ বছর পর চলতি (২০১৬) বছরের শেষ দিকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রসহ দেশের বিভাগীয় শহর গুলোতে ডিজিটাল পদ্ধতিতে একযুগে ভিডিত কনফারেন্সিং ব্যবস্থায় সাব ভেন্যুর মাধ্যমে আয়োজন করতে যাচ্ছে প্রথম সমার্বতন।

এতে বিপুল পরিমানে গ্রাজুয়েট অংশগ্রহণ করবেন বলে জানা যায়। তবে যাদের জন্য সমার্বতন তারাই এ ব্যাপারে তেমন কিছু জানে না। প্রাক্তন গ্রাজুয়েটদের রেজিষ্টেশন প্রক্রিয়াটিই বা কি বলতে পারছে না অনেকে। বিশ্ব বিদ্যালয়ের ওয়েব সাইডে এ ব্যাপারে রেজিস্ট্রেশনের করার কথা থাকলেও রেজিস্ট্রেশন করার জন্য কোনো লিংক বা অপশন দেয়া হয়নি জানান বলে অনেকে।’

এ ব্যাপারে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় (তিতুমীর কলেজ, ঢাকা) হতে ২০০৯ সালে মাস্টার্সে প্রথম শ্রেণী প্রাপ্ত প্রাক্তন গ্রাজুয়েট আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘শুনেছি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সমার্বতন দিবেন কিন্তু এর কোনো তথ্য তো জানি না। এবং তিনি এখনো রেজিষ্টেশন করার প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে পারেননি। কিন্তু তিনি সমার্বতন পেতে চান। তিনি আরো বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েব সাইডে এ ব্যাপারে কোনো লিংক দেয়া হয়নি।’

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়টির উপ-রেজিস্ট্রার জয়ন্ত ভট্টাচার্য্য বলেন, ‘কর্তৃপক্ষ সব কিছু নিদিষ্ট করে অবশ্যই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে। তখন আর কোনো রকম তথ্য বিভ্রান্তি থাকবে না। এবং তা খুব দ্রুতই প্রকাশ করা হবে।’

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মত প্রতিষ্ঠানে প্রতি বছর সমার্বতন আয়োজন করলেও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ইতিপূর্বে কোনো সমার্বতন দেয়নি তার পাশ করা গ্রাজুয়েটদের। এ নিয়ে শিক্ষাথীরা বেশ কয়েক দফা আন্দোলন ও মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করলে অবশেষে সমার্বতন আয়োজনের সিদান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ।

একেএ/এমআর