বেদখল হল উদ্ধার, নতুন হল নির্মাণ, বাংলাদেশ ব্যাংকের সদরঘাট শাখা অপসারণসহ অন্যান্য দাবিতে আন্দোলনরত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আন্দোলন স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। হল পুনরুদ্ধার ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি পৃথক পৃথক বিবৃতিতে তাদের কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম ও তার দলবল মিলে রসায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. সৈয়দ আলমের মাথা ও পিঠে পিস্তল ঠেকিয়ে টেন্ডার ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে। এ ঘটনার পর শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের যৌথ আন্দোলন বিভক্ত হয়ে পড়ে।
বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ কর্মসূচি শেষে মঙ্গলবার হল পুনরুদ্ধার ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম বুধবারের পূর্বঘোষিত ছাত্র ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন। তবে হল উদ্ধারে আমাদের নিয়মিত বিক্ষোভ কর্মসূচি চলবে বলে জানান তিনি।
সদস্য আবুল কালাম আজাদ মিন্টু স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মঙ্গলবার বিকেলে জানানো হয়, ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় হল পুনরুদ্ধার সম্পর্কিত কমিটির সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে উল্লিখিত ৩০ কার্যদিবসের জন্য ছাত্র ধর্মঘট ও অনশন কর্মসূচি পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত করা হলো।’
এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতিও তাদের আন্দোলন স্থগিত করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক পরিমল বালা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মঙ্গলবার বিকেলে জানানো হয়, ‘অনিবার্য কারণবশত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি ১৯, ২৩ ও ২৬ মার্চের আন্দোলন কর্মসূচি স্থগিত করা হলো। পরবর্তীতে এ বিষয়ে নতুন নির্দেশনা দেওয়া হবে।’
[b]ঢাকা,১৯ মার্চ (টাইমনিউজবিডি.কম)//এএইচ[/b]
শিক্ষা
জবি শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের যৌথ আন্দোলন বিভক্ত
বেদখল হল উদ্ধার, নতুন হল নির্মাণ, বাংলাদেশ ব্যাংকের সদরঘাট শাখা অপসারণসহ অন্যান্য দাবিতে আন্দোলনরত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের আন্দোলন স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। হল পুনরুদ্ধার ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি পৃথক পৃথক বিবৃতিতে তাদের কর্মসূচি স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে।





