বহিরাগত মুক্ত এবং শিক্ষার্থীদের সার্বিক নিরাপত্তার সার্থে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সার্বক্ষণিক পরিচয় পত্র বহনের নির্দেশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এদিকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আবাসিক হলে তল্লাশি চালিয়েছে প্রশাসন।

বুধবার বেলা ১টার দিকে সাদ্দাম হোসেন (ছাত্র) হলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও পুলিশ যৌথ তল্লাশি করে।

বহিরাগতের অবস্থানসহ বেশ কিছু অভিযোগরে ভিত্তিতে এ তল্লাশি চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রক্টর। তল্লাশির সময় বিভিন্ন প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ক্যাম্পাস সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকাল ৯টর দিকে পরিচয় পত্র বহনের এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকরী বাহিনি চাইলে শিক্ষার্থীদেরকে তা প্রদর্শনের নির্দেশ সম্বলিত ঘোষনা প্রচার করে প্রশাসন।

এদিকে পরবর্তি ঘোষনা না দেওয়া পর্যন্ত ক্যাম্পাসে সকল রাজনৈতিক কর্মকার্ড নিষিদ্ধ রয়েছে বলে জানা যায়। পরে দুপুর একটার দিকে ছাত্রদের আবাসিক হল সাদ্দাম হলে আকস্মিক তল্লাশি চালানো হয়।

পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই হলে তল্লাশি করায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে আতঙ্ক

ছড়িয়ে পরে।তল্লাশিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. মাহবুবর রহমান, ৪ সদস্যের প্রক্টরিয়াল বডি, ছাত্র উপদেষ্টা ড. আনোয়ার হোসেন, হল প্রভোস্ট ড. আশারাফুল আলম, ইবি থানার ওসি শোনিত কুমার গায়েন ও প্রায় ৪০ জন পুলিশ সদস্য অংশ গ্রহণ করে।

হল প্রভোস্ট ড. আশরাফুল আলম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের সিদ্ধান্তে সাদ্দাম হলে তল্লাশী করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তার স্বার্থে আবাসিক হলে কোন বহিরাগতকে অবস্থান করতে দেয়া হবে না।’

অভিযোগের বিষয়ে প্রক্টর ড. মাহবুবর রহমান বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ক্যাম্পসে বাহিরাগত প্রবেশ এবং ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টিরচেষ্টাসহ বেশ কিছু অভিযোগের ভিত্তিতে সাদ্দাম হোসেন হলে তল্লাশি চালানো হয়েছে। তল্লাশিতে একটি ছাত্র সংগঠনের দুইটি পরিত্যক্ত ব্যানার ছাড়া কিছুই পাওয়া যায় নি।’

এমই