তনুসহ গুম-খুন ও ধর্ষণের বিচারের দাবিতে সকালে অর্ধ দিবস হরতাল পালন করতে গিয়ে পুলিশ কতৃক বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন জাবি শাখার ১১ নেতাকর্মী আটকের প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক তপন কুমার সাহার পদত্যাগ এবং আটকৃতদের মুক্তির দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন অবরোধ করে রেখেছে ছাত্র ইউনিয়ন।
প্রক্টরের নির্দেশেই পুলিশি হামলায় শিক্ষার্থী আটক হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন তারা। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত আবরোধ চলছে।
আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ছাত্র ইউনিয়ন সহ প্রগতিশীল ছাত্র জোট, জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোট ও সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী ছাত্র ঐক্য’র নেতাকর্মীরা প্রক্টরের পদত্যাগের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের ফটক বন্ধ করে অবস্থান গ্রহণ করেন। প্রক্টরের পদত্যাগ না করা পর্যন্ত তাদের এই অবরোধ কর্মসূচি চলবে বলে জানানো হয়েছে।
আটককৃতরা হলেন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাসুক হেলাল অনিক, সাধারণ সম্পাদক সুস্মিতা মরিয়ম, প্রচার সম্পাদক উজ্জ্বল, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক আবিদ সরকার সোহাগ, দপ্তর সম্পাদক সিয়াম, কার্যকরী সদস্য রাকিব এবং বিভিন্ন সংগঠনের জামিল, চন্দন, নিতুণ, মাহাথির, আকাশ, তানি।
ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি দীপাঞ্জন সিদ্ধান্ত কাজল বলেন, প্রশাসন এবং প্রক্টরের সহযোগীতা ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় এরকম হামলা চালাতে পারে না পুলিশ। তাদের প্রত্যক্ষ্য মদদেই আমাদের সহকর্মীদের আটক করে নিয়ে যায় পুলিশ। এবং প্রক্টরের নির্দেশেই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রান্তিক গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়।
এ ব্যাপারে প্রক্টর অধ্যাপক তপন কুমার সাহার সাথে যোগাযোগ কার হলে তিনি বলেন, ‘আটকৃতদের ছাড়ানোর জন্য আমরা চেষ্টা করছি। আশা করছি আজকের মধ্যই তাদের ছাড়িয়ে আনা যাবে। এবং তাদের নামে যেন মামলা দেওয়া না হয় তার জন্য আমরা পুলিশের উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের সাথে কথা বলেছি।’
তার বিরোদ্ধে উঠা অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘পুলিশের সাথে আমার কোন যোগাযোগ হয়নি। আমি শিক্ষর্থীদের শুধু রাস্তা আবরোধ প্রত্যাহার করতে বলেছি কিন্তু তারা তা করে নি পরে আমি সেখান থেকে চলে এসেছি। আর পুলিশ তাদের দায়িত্ব পালন করেছে। এখানে তো আমার কোন হাত নেই।’
এআই





