কয়েকজন রুমেলের নেতৃত্বে নোবিপ্রবির সিএসটি ১১ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী এরফান কে পিটিয়ে জখম করে। খবর বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়লে ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

এরফান মারাত্নক ভাবে আহত হয়। গুরুতর আহত এই শিক্ষার্থীকে নোয়াখালী সরকারি মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছড়িয়ে পড়লে সাথে সাথে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা প্রতিরোধ করার চেষ্টা করে। এতে হামলাকারীরা স্থান ত্যাগ করে। পরবর্তীতে সন্ধ্যা ৭ টার দিকে তারা আবার জড়ো হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে অতর্কিত হামলা করে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯ম ব্যাচের শিক্ষার্থী প্রমি ও চয়ন আহত হয়।

এদিকে হামলাকারিরা আরো লোকবল নিয়ে সোনাপুর-বিশ্ববিদ্যালয়গামী সড়কের জেড মোড়ে নামক স্থানে অবস্থান নিয়েছে। সেখানে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের কয়েকটি মেসে আক্রমণ করা হয়েছে বলেও খবর পাওয়া গেছে।

হামলাকারিদের বাঁধার মুখে বিশ্ববিদ্যালয় বাস গুলো ক্যাম্পাসে যেতে পারছেনা। এতে করে বিশ্ববিদ্যালয়ের যেসব শিক্ষার্থী বিভিন্ন কাজে নোয়াখালীর মাইজদিতে এসেছে তারা হলে ফিরতে পারছেনা।

প্রত্যক্ষ্দর্শী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসী বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান ড মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালরে পাশের জেড মোড় ও সুবর্ণ এগ্রো এর মাঝামাঝি স্থানে স্থানীয়রা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে অতর্কিত হামলা করে। এতে বাসের কাঁচ ভেঙ্গে ছাত্রছাত্রীদের গায়ে পড়ে এবং কয়েকজন আহত হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, পুলিশের সামনেই শিক্ষার্থীদের উপর হামলা করা হয়। কিন্তু তারা এর বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি।

উল্লেখ্য, গত ৩ নভেম্বর তুষার নামের এক বহিরাগত কয়েকজন ভর্তিচ্ছুক পরিক্ষার্থীদের র‍্যাগ দিলে এরফান সহ কয়েকজন শিক্ষার্থী প্রতিবাদ করে। এর জের ধরে আজ রুমেল ও তুষার এর নেতৃত্বে কয়েকজন স্থানীয় আরফান কে মারাত্নকভাবে আহত করে।

বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি রুমেলের বাড়ি ভাঙ্গচুর করে। পরে স্থানীয় নেতা কর্মীরা জড়ো হয়ে বিশ্ববিদ্যালয় অভিমুখে শিক্ষার্থীদের ধাওয়া করে।

এই রিপোর্ট লেখার আগপর্যন্ত সংঘর্ষ চলছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাহিরে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে। আহত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী এরফানকে নোয়াখালী সরকারি মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে।

গত ৩ নভেম্বর তুষার নামের এক বহিরাগত কয়েকজন ভর্তিচ্ছুক পরিক্ষার্থীদের র‍্যাগ দিলে এরফান সহ কয়েকজন শিক্ষার্থী প্রতিবাদ করে। এর জের ধরে রুমেল ও তুষার এর নেতৃত্বে কয়েকজন স্থানীয় এরফান কে পিটিয়ে জখম করে।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর মুশফিকুর রহমান বলেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রাশাসন থেকে পুলিশকে জানানো হয়েছে। ক্যাম্পাসে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং পুলিশ পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করছে।

সুধারাম মডেল থানার ওসি আনোয়ার হোসেন জানান, ক্যাম্পাসে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে, পরিস্থিতিও শান্ত করা চেষ্টা চলছে।

এদিকে ঘটনার প্রতিবাদ করতে আগামীকাল বিশ্ববিদ্যালয় সাধারণ ছাত্রছাত্রী মানববন্ধন করবে বলে জানা গেছে।
জেড