বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস.এম. কামাল উদ্দিন হায়দার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুধুমাত্র অনলাইনের মাধ্যমে করা যাবে। কোনো অবস্থাতেই শিক্ষা বোর্ড, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা অন্য কোনো দপ্তরে সরাসরি আবেদন গ্রহণ করা হবে না।
শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে গিয়ে রোল, রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও বোর্ড নির্বাচন করে ‘সাবমিট’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। এরপর পছন্দসই বিষয় নির্বাচন করে ‘ফি প্রদান করুন’ অপশন ব্যবহার করে অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
দ্বিপত্র বিশিষ্ট বিষয়ের ক্ষেত্রে উভয় পত্রের জন্য আবেদন করতে হবে। ফি পরিশোধ করা যাবে বিকাশ, নগদ, রকেট, সোনালী সেবা বা টেলিটক মোবাইল সিমের মাধ্যমে।
ফি জমার পর আবেদন নিশ্চিত করতে হবে ‘জমা দিন’ বাটনে ক্লিক করে। তবে একবার ফি প্রদান করার পর আবেদন বাতিল বা সংশোধন করা যাবে না, এবং কোনো অবস্থাতেই ফি ফেরত দেওয়া হবে না।
এর আগে ১৬ অক্টোবর সকাল ১০টায় দেশের সব শিক্ষা বোর্ডে একযোগে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। শিক্ষার্থীরা ওয়েবসাইট বা মোবাইল ফোনে 16222 নম্বরে এসএমএস পাঠিয়ে ফল জানতে পারেন।
চলতি বছর ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে সারাদেশে ২ হাজার ৭৯৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ঢাকা বোর্ডে পরীক্ষার্থী ছিল ২ লাখ ৯১ হাজার ২৪১ জন, যা সর্বাধিক।
অন্য বোর্ডগুলোর মধ্যে রাজশাহী বোর্ডে ছিল ১ লাখ ৩৩ হাজার ২৪২ জন, কুমিল্লায় ১ লাখ ১ হাজার ৭৫০, যশোরে ১ লাখ ১৬ হাজার ৩১৭, চট্টগ্রামে ১ লাখ ৩৫ জন, বরিশালে ৬১ হাজার ২৫, সিলেটে ৬৯ হাজার ৬৮৩, দিনাজপুরে ১ লাখ ৩ হাজার ৮৩২ এবং ময়মনসিংহ বোর্ডে ৭৮ হাজার ২৭৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়।
এছাড়া মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে ৮৬ হাজার ১০২ জন আলিম ও কারিগরি বোর্ডের অধীনে ১ লাখ ৯ হাজার ৬১১ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।
এনএইচ