ক্যাম্পাস বন্ধ রেখে এবার ভর্তি পরীক্ষার ভাইভা'র আয়োজন করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ ঘটনায় বিড়ম্বনায় পড়েছেন মেধা তালিকায় উত্তীর্ণ ভর্তিচ্ছু অসংখ্য শিক্ষার্থী। এখন পর্যন্ত অনেক শিক্ষার্থী ভাইভা অনুষ্ঠিত হবার খবর জানতে পারে নি বলে সূত্রে জানা গেছে।
২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের ই-ইউনিটে উত্তীর্ণ ভর্তিচ্ছু বিজোড় রোল নম্বরধারীদের ভাইভা ১৩ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে জানানো হয়েছে।
সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডীন অধ্যাপক মো: আনসার উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিজোড় রোল নম্বরধারীদের মেধাক্রম অনুযায়ী সকাল ৯টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন্স কমপ্লেক্সে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে। একই স্থানে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সকাল ৯টায় ই-ইউনিটের ভর্তিচ্ছু জোড় রোল নম্বরধারীদের ভাইভা অনুষ্ঠিত হবে।
ভর্তিচ্ছু জোড়-বিজোড় রোল নম্বরধারী সকল পরীক্ষার্থীদের ভাইভা প্রদানের সময় এসএসসি/সমমান পরীক্ষার নম্বরপত্রের মূল কপি, এইচএসসি/সমমান পরীক্ষার নম্বরপত্রের মূল কপি এবং ভর্তি পরীক্ষার হলে এইচএসসি পরীক্ষার রেজিষ্টেশন কার্ডের ফটোকপি দিয়ে তৈরি প্রবেশপত্র নিয়ে উপস্থিত হতে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৪ জানুয়ারি শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ই-ইউনিটের বিজোড় রোল নম্বরধারীদের এবং সকাল সোয়া ১০টা থেকে ই ইউনিটের জোড় রোল নম্বরধারীদের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
এদিকে সান্ধ্য কোর্স বন্ধ ও বর্ধিত ফি বাতিলের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর গত ২ ফেব্রুয়ারি রোববার ছাত্রলীগ ও পুলিশের হামলার পর বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এতে শিক্ষার্থীশূণ্য হয়ে যায় রাবি ক্যাম্পাস। এমতাবস্থায় ভার্তিচ্ছুরা এসে কোথায় থাকবে তা নিয়ে চরম বিপদে পড়েছেন পরীক্ষার্থীরা।
যশোর থেকে আগত পরীক্ষার্থী জাহিদুর রহমান পারভেজ নামের বিজোর রোল নম্বরধারী এক পরীক্ষার্থী টাইম নিউজবিডি'কে জানান, "কাল আমার ভাইভা পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। তাই আমি আজ ক্যাম্পাসে চলে এসেছি। কিন্তু থাকার মতো তেমন কোন জায়গা নেই। পরীক্ষা দিতে এসে যে সব বড় ভাইদের কাছে থেকে পরীক্ষা দিয়েছিলাম ক্যম্পাস বন্ধ থাকায় তারা সবাই হল ছেড়ে বাড়ি চলে গেছে। মেসে থাকে এমন কোন বড় ভাইয়ের সাথেও আমার পরিচয় নেই।
অপর শিক্ষার্থী মানসুরা রংপুর থেকে আসবেন। তিনি মোবাইল ফোনে জানান, কাল আমার ভাইভা পরীক্ষা। তা জানতে পারলাম রাতে। এখন আমাকে সকালেই রওয়ানা হতে হচ্ছে। কিন্তু গিয়ে কোথায় উঠবো কিছুই বলতে পারছি না। ক্যাম্পাস বন্ধ থাকায় হলের বড় আপুরাও হলে নেই।
এব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য প্রফেসর মিজান উদ্দিনের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে পাওয়া যায় নি। #
[b]ঢাকা, এমএইচ, ১২ ফেব্রুয়ারি (টাইম নিউজবিডি.কম)//জেইউ[/b]