জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি শরীফুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলামের ইন্ধনে সংগঠনের নেতাদের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা’ মামলা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন মামলার শিকার নেতারা।
শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভবনে মামলার প্রতিবাদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করা হয়।ক্যাম্পাসে জবির শিক্ষার্থী ও এক নেতার বান্ধবীকে লাঞ্ছিত করার ঘট্নায় এ মামলা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, গত ১৯ মার্চ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দর্শন বিভাগের এক ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে বসেছিলেন। এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ষষ্ঠ ব্যাচের ছাত্রলীগ কর্মী সজিব ও বহিরাগত এআইইউবির শিক্ষার্থী ইয়াসির আরাফাত ওই ছাত্রীকে লাঞ্ছিত করে। এ নিয়ে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে ইয়াসির আরাফাতসহ উভয়পক্ষের তিনকর্মী আহত হয়।
গত শুক্রবার ইয়াসির আরাফাতকে মারধরের ঘটনায় কোতোয়ালী থানায় জবি ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হারুন-অর-রশিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক তানভীর রহমান খান, জহির রায়হান আগুন, গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক আল মামুন কবির মামুন, উপ-প্রচার সম্পাদক আনিসুর রহমান শিশির এবং ছাত্রলীগ কর্মী মিন্টু সরকার, আপন আহসান, কামরুল আহসান, শাহেদ আহমেদ ও তারেকসহ অজ্ঞাত ১০-১২ জনকে আসামি করে মামলা করেন সজিব।
সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হারুন-অর-রশিদ বলেন, ‘জবি ছাত্রলীগের শীর্ষ দুই নেতা উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে তার উপস্থিতিতে কোতোয়ালী থানার ওসি আবুল হাসানকে ছাত্রলীগের কারো নামে মামলা নিতে হলে তাদের অনুমতি লাগবে বলে জানিয়েছিলেন। তাই এটা স্পষ্ট যে, তাদের অনুমতি নিয়েই আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।’
হারুন-অর-রশীদ বলেন, ‘বৃহস্পতিবারের ঘটনার সময় ঘটনাস্থলে মামলার যারা আসামি এদের মধ্যে পদধারী আমরা কেউই উপস্থিত ছিলাম না। উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শী এবং ঘটনাটি মীমাংসা করতে আসা ছাত্রলীগের জ্যেষ্ঠ নেতারা ঘটনাস্থলে আমাদের অনুপস্থিতির কথা স্বীকার করলেও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে এবং ছাত্রী লাঞ্ছিতের ঘটনা আড়াল করতে উদ্দেশ্যমূলক ও মিথ্যা-বানোয়াট মামলাটি করা হয়েছে।’
সংবাদ সম্মেলনে জবি ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তানভীর রহমান খান, জহির রায়হান আগুন, গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক আল মামুন কবির মামুন, উপ-প্রচার সম্পাদক আনিসুর রহমান শিশির এবং উপ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক আওয়াল কবীর জুয়েল উপস্থিত ছিলেন।
একে





