যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি) ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শামীম হোসেনকে বহিষ্কারের দাবি করেছে সভাপতি সুব্রত মণ্ডলের নেতৃত্বাধীন গ্রুপ।

শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ভবনের সামনে এক মানববন্ধনে এ দাবি করা হয়। মনববন্ধনে কয়েকশ’ শিক্ষার্থী অংশ নেন বলে দাবি করেন সভাপতি সুব্রত মন্ডল।

কর্মসূচি চলাকালে শিক্ষার্থীরা শামীম হাসান ও তার সহযোগীদের বহিষ্কার দাবিতে নানা স্লোগান সম্বলিত প্ল্যাকার্ড বহন করেন। তারা এই সময় ক্লাস বর্জনও করেন।

সুব্রত মণ্ডলের দাবি, সেক্রেটারি শামীম একজন সন্ত্রাসী। তিনি যখন তখন যাকে তাকে মারপিট করেন। ছাত্রীদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। তার অত্যাচারে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। এসব কারণে তাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিস্কারের বিকল্প নেই। মানববন্ধনে বক্তৃতা করেন রাব্বানী, বাচ্চু অধিকারী, হাসিব আল হাসান প্রমুখ।

এসব বিষয়ে জানতে ছাত্রলীগ যবিপ্রবি শাখার সেক্রেটারি শামীম হোসেন ও জেলা সভাপতি আরিফুল ইসলাম রিয়াদের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করলেও তারা তা রিসিভ করেননি।

প্রসঙ্গত, কোড অব কন্ডাক্ট অনুযায়ী যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্ররাজনীতিমুক্ত। তবে এই ক্যাম্পাসে সরকারি দলের ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগ অবাধে তৎপরতা চালাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শুধু ছাত্রলীগকেই এই সুবিধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। পূর্ববর্তী উপাচার্য ড. আব্দুস সাত্তার চেষ্টা করেও ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের রাজনীতি বন্ধ করতে ব্যর্থ হন।

প্রতিষ্ঠার পর এই বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন মেধাবী ছাত্র খুন হয়েছেন। রিয়াদ নামে ওই ছাত্র ছাত্রলীগ করতেন এবং একই সংগঠনের কর্মীরা তাকে খুন করে বলে অভিযোগ রয়েছে। ওই হত্যা মামলায় ছাত্রলীগ যবিপ্রবি শাখার সভাপতি-সম্পাদক দুইজনই আসামি। 

তারেক/জারিফ