ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ মিনারে পুস্পার্ঘ অর্পণ করতে এসে বাক-বিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন শিক্ষক-কর্মকর্তারা। এসময় অনেকে একসঙ্গে হুড়োহুড়ি করে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে গেলে বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি হয়।
বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১২টার দিকে প্রশাসন ভবনের সামনে থেকে উপাচার্যের নেতৃত্বে একটি শোকর্যালি বের হয়। র্যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শহীদ বেদিতে গিয়ে শেষ হয়। পরে দিবসটি উপলক্ষে একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবদেন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন-উর-রশিদ আসকারী। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শাহিনুর রহমান এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. সেলিম তোহা।
এরপর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, কর্মকর্তা-কর্মচারী সমিতি, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, প্রগতিশীল শিক্ষক সংগঠন শাপলা ফোরাম শ্রদ্ধার্ঘ নিবেদন করেন।
শাপলা ফোরামের শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনের সময় বঙ্গবন্ধু পরিষদের নির্বাচন কমিশন এবং অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের নাম ঘোষণা নিয়ে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের মধ্যে বাক-বিতন্ডা শুরু হয়। এতে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয় শহীদ মিনারে। তখন অধিকাংশ সংগঠনের নেতাকর্মী ও শিক্ষার্থী হুড়োহুড়ি করে শহীদ মিনারের মূল বেদিতে উঠে যান। এসময় ধাক্কাধাক্কি করে অনেক সংগঠন শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন বিভাগ, আবাসিক হল, বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাব, সাংবাদিক সমিতি, ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্র মৈত্রীমহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করে।
পরে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে একমিনিট নিরবতা পালন এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মোনাজাত করা হয়।
প্রক্টর অধ্যাপক ড. পরেশ চন্দ্র বর্ম্মণ বলেন, অভ্যন্তরীণ রাজনীতির কারনে সাময়িক সমস্যা সৃষ্টি হলেও পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
এএইচ





