প্রস্তাবিত অষ্টম জাতীয় বেতন কাঠামোকে ‘বৈষম্যমূলক’ আখ্যা দিয়ে প্রত্যাখ্যান করেছে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) শিক্ষক সমিতি। একই সঙ্গে বেতনকাঠামো পুননির্ধারণের দাবিও জানিয়েছেন তারা।
বৃহস্পতিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ভবনের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনে বেতন কাঠামো প্রত্যাখান করে এ দাবি জানান শিক্ষকরা।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বৈষম্যমূলক ও বিমাতাসুলভ বেতন স্কেল মানি না এবং মানবো না। অবিলম্বে এর প্রয়োজনীয় সংস্কারসহ শিক্ষকদের বর্তমানে প্রচলিত বেতন কাঠামোর অনুরূপ ধাপে উন্নতকরণসহ নতুনভাবে পে-স্কেল ঘোষণা করতে হবে।
শিক্ষকরা বলেন, এর সঙ্গে শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র পে-স্কেলসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা কার্যকর করার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। প্রচলিত বেতন স্কেল ‘বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সম্পূর্ণভাবে স্বাবলম্বী না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র বেতন স্কেল নয়’ সংক্রান্ত সুপারিশ অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং দুরভিসন্ধিমূলক, যা অবিলম্বে প্রত্যাহার করার দাবি জানাচ্ছি।
বক্তারা বলেন, শিক্ষকদের স্বতন্ত্র বেতন স্কেল প্রতিবেশী দেশগুলোতেও বহাল আছে। এছাড়া নানাবিধ সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি করে মেধাবী এই সমাজকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। সেখানে ড. ফরাসউদ্দীন কমিশনের সুপারিশ দুঃখজনক এবং অপরিপক্কও বটে। টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বিলুপ্তিও প্রস্তাবিত বেতন স্কেলকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। যা প্রজাতন্ত্রের সকল চাকুরিরত ব্যক্তিকেই হতাশ করেছে এবং ভবিষ্যতে পদোন্নতি এবং উচ্চতর বেতন স্কেল প্রাপ্তিতে অন্তরায় হবে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
শিক্ষকরা বলেন, আমরা টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বহাল রাখার দাবি জানাচ্ছি অথবা অধ্যাপক পদমর্যাদার শিক্ষকদের সর্বোচ্চ স্কেলে উন্নীতকরণসহ সহযোগী, সহকারি অধ্যাপক এবং প্রভাষক পদমর্যাদার শিক্ষকদের একইভাবে ধাপ পুননির্ধারণ করে শিক্ষকদের সামাজিক এবং রাষ্ট্রীয় মর্যাদা নিশ্চিত করার দাবি জানচ্ছি।
মানববন্ধনে শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. বদিউস সালাম, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. সুদীপ কুমার পাল ও প্রচার সম্পাদক মোহাম্মদ ইসলাম মিয়াসহ চুয়েটের শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।
কেএইচ





