চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) বিশেষ পরীক্ষার দাবিতে পরীক্ষার হলে তালা ও অফিস ভাঙচুর করেছেন ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

রোববার বেলা ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় ৬ শিক্ষার্থী আহত হন। ঘটনার সময় কয়েকজন ছাত্রী পুলিশের হাতে লাঞ্ছিত হয়েছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায়, ইংরেজি বিভাগের ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষের ৩৫ জন শিক্ষার্থী প্রথমবর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেননি। ওই শিক্ষার্থীরা বিশেষ পরীক্ষার অনুমতি চাইলে বিষয়টি বিভাগ কর্তৃপক্ষ গুরুত্ব দেয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির কাছ থেকে বিশেষ পরীক্ষার অনুমতি নিয়ে আসা হলেও বিভাগ কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা নিতে অপারগতা প্রকাশ করে।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা আরো অভিযোগ করেন, একই বর্ষে একজন শিক্ষার্থীর জন্য দুইবার বিশেষ পরীক্ষা দেওয়ার নিয়ম থাকলেও তাদেরকে সেই সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। এতে এক বছর শিক্ষাজীবন নষ্ট হওয়া ছাড়াও অনেকের ছাত্রত্ব বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই ক্ষুদ্ধ হয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা রোববার বিভাগের অফিস কক্ষসহ চারটি কক্ষে ভাঙচুর চালান। পাশাপাশি বিভাগের ২২৪, ২২৫ এবং ২২৬ নম্বর কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেন তারা। এই কক্ষগুলোতে দ্বিতীয়বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।

পরে বেলা ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় তালা ভাঙতে গেলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রক্টর ও সহকারী প্রক্টরদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনাও ঘটে। পরে শিক্ষার্থীরা পুনরায় ভাঙচুর করেন। এ সময় আন্দোলনরত ৬ শিক্ষার্থী আহত হন।

আহতরা হলেন, ডালিয়া চাকমা, মৌসুমী, খাদিজা, রুবেল, জয়নাল এবং সাদিয়া।

এদিকে শিক্ষার্থীদের অভিযোগের বিষয়ে ইংরেজি বিভাগের সভাপতি আজমেরী আরার সঙ্গে তার ব্যক্তিগত মুঠোফোনে কয়েকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সিরাজ উদদৌল্লা বলেন, সোমবার শিক্ষার্থী এবং বিভাগ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বসে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হবে।

ঢাকা, ১০ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, কেএইচ