দীর্ঘদিন অবৈধ দখলে থাকা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) তিব্বত হলসহ অন্যান্য হলগুলো উদ্ধারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সাথে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। সংঘর্ষে শিক্ষক, সাংবাদিকসহ প্রায় অর্ধশত শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।
রোববার সকালে শিক্ষার্থীরা তিব্বত হলের সামনে অবস্থান নিলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। বাধা ভেঙ্গেই তিব্বত হলের ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা চালায় শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে দমন করতে পুলিশ ছররা গুলি এবং সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করেছে। শিক্ষার্থীরাও ইট পাটকেল দিয়ে পুলিশের উপর পাল্টা আক্রমণ করে। এভাবে থেমে থেমে রোববার সকাল থেকে দুপুর সংঘর্ষ চলে।
জবির এক সিন্ডিকেট সদস্য জানান, বিশ্ববিদ্যালয় ঘোষণা হওয়ার পর এ বিশ্ববিদ্যালয়টিতে তেমন কোনো উন্নয়ন হয়নি। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সাথে একাত্নতা ঘোষণা করে শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নিয়ে বেদখল হলগুলো উদ্ধারে শিগগির ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
এদিকে সংঘর্ষের আতঙ্কে সদরঘাটে অবস্থিত তিব্বত হলের আশপাশে সব রকমের দোকানপাট বন্ধ রয়েছে।
এর আগে বেদখল থাকা তিব্বত হলসহ আরও ১০টি হল উদ্ধারের দাবিতে রোববার সকাল ৮ টার দিকে প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হল উদ্ধারের দাবিতে প্রধান ফটকসহ আরো তিনটি ফটকে তালা ঝুলিয়ে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে শিক্ষার্থীরা। এ সময় শিক্ষক-কর্মকর্তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে প্রবেশ করতে পারেনি। এছাড়াও বিভিন্ন বিভাগে নির্ধারিত পরীক্ষা বাতিল হয়ে যায়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অশোক কুমার সাহা বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের আন্দোলন যৌক্তিক। তাই তাদের বাধা দেওয়া হচ্ছে না।’
[b]জবি, ২৩ ফেব্রুয়ারি (টাইমনিউজবিডি.কম) //এফএ[/b]