রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) বাস ভাঙচুরের ঘটনায় ঢাকা-রাজাশাহী মহাসড়ক অবরোধ করেছে শিক্ষার্থীরা।

বুধাবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে মহাসড়ক অবোরধ করে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে তারা অবরোধ তুলে নেয়।

শিক্ষার্থীরা জানান, রাজশাহীর বানেশ্বর রুটের বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বাস কাটাখালী এলাকায় যানজটে পড়লে একটি ট্রাক (ঢাকা মেট্রো-ট-০২-০৭০১) পেছনে যেতে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় বাসটির সামনে ধাক্কা দেয়।

বাসটি উল্টে যাওয়ার উপক্রম হলে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ শুরু হবে। এ সময় বিক্ষুদ্ধ শিক্ষার্থীরা ট্রাকটি ভাঙচুর করে। পরে কাটাখালী বাজারের পরিবহন শ্রমিকরা বাসটি আটক করে ভাঙচুর করে এবং বাসের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। এতে কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন। পরে পুলিশী হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

এ ঘটনায় সকাল ৯টা থেকে ঘণ্টাব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে অবরোধ তুলে নেয় শিক্ষার্থীরা।

পরে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিকট লিখিত অভিযোগ করে ছাত্রদের ওপর হামলার সুষ্ঠু বিচার, বাসের ক্ষতিপূরণসহ পাঁচ দফা দাবি জানান। তাদের অন্যান্য দাবিগুলো হল-কাটাখালী বাজারের যানজট নিরসনের জন্য ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, মহাসড়ক থেকে অটোরিকশা অপসারণ, পুনরায় ছাত্রদের ওপর হামলা না হয় তা নিশ্চিতকরণ।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর প্রফেসর তারিকুল হাসান জানান, বাস ভাঙচুরের ঘটনায় শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করেছে। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে তারা অবরোধ তুলে নিয়েছে। শিক্ষার্থীরা কয়েকটি অভিযোগ করেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

এদিকে উক্ত ঘটনার নিন্দা জানিয়ে ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও পরিবহন বাস চালু রাখার দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রফেডারেশন। সংগঠনটির রাজনৈতিক শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক কিংশুক কিঞ্জল স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়।

এমকে