চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষার হলে তালা ও ভাংচুর চালিয়েছে ইংরেজী বিভাগের শিক্ষার্থীরা।
পরীক্ষার অংশগ্রহণের অনুমতি না দেয়ায় রোববার বেলা ১১ টার দিকে কলা অনুষদ ভবনের দ্বিতীয় তলায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর বিভাগের অন্যান্য বর্ষের ওই দিনের পরীক্ষাও স্থগিত করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, গত কয়েক বছর ধরে ইংরেজি বিভাগে ১ দশমিক ৭৫ এর কম জিপিএ পাওয়া শিক্ষার্থীদের এক শিক্ষাবর্ষে দুইবার স্পেশাল পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ দেয়া হতো। কিন্তু ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের এ সুযোগ দেয়া হয়নি। যার ফলে এ শিক্ষাবর্ষের ৩৬ জন শিক্ষার্থীর ছাত্রত্ব হুমকির মুখে পড়ে।
রোববার ইংরেজী বিভাগের ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষের নিয়মিত শিক্ষার্থীদের দ্বিতীয় বর্ষের ২০১ নম্বর কোর্সের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। পরীক্ষা শুরুর কিছুক্ষণ আগে পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারা শিক্ষার্থীদের একটি দল এসে পরীক্ষার হলে তালা লাগিয়ে দেয়। এ সময় তারা বিভিন্ন কক্ষের জানালার কাচ, নোটিশ বোর্ড ও ফুলের টব ভাংচুর করে।
পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টিরিয়াল বডি ও পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
আন্দোলনকারী এক শিক্ষার্থী জানান, ইংরেজী বিভাগে এক শিক্ষাবর্ষে ২বার স্পেশাল পরীক্ষা দিতে না পারলে আইন অনুযায়ী আমাদের ছাত্রত্ব বাতিল হয়ে যাবে। তাই বিভাগের প্রধানের কাছে আমাদের দাবি তুলে ধরি।
কিন্তু উল্টো কোন কারণ ছাড়াই পুলিশ এক ছাত্রীর উপর চড়াও হয়। তাকে উদ্ধার করতে গেলে পুলিশ শিক্ষার্থীদের লাঠিপেটা শুরু করে। বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শিক্ষার্থীরা ভাংচুর চালিয়েছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।
ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান আজমেরি আরা একটি গণমাধ্যমকে বলেন, বিভাগের কিছু উচ্ছৃঙ্খল শিক্ষার্থীর কারণে এ অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটেছে। তবে শিক্ষার্থীদের দাবির বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি।
ঢাকা, ১০ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, জেএ





