চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) আরবি বিভাগের 'অনুপস্থিত' ৪৯ শিক্ষার্থীর তালিকা করে রেজিস্ট্রার অফিসে জমা দেওয়া হয়েছে।
বুধবার বিকেলে এ তালিকা জমা দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন আরবি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মো. ইসমাইল হোসেন।
তালিকায় নিম্নে ১০ দিন থেকে সর্বোচ্চ এক বছর পর্যন্ত অনুপস্থিতদের নাম রয়েছে।
এ বিষয়ে আরবি বিভাগের সভাপতি মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, 'বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অনুযায়ী বিভাগে নিম্নে দশ দিন থেকে সর্বোচ্চ এক বছর পর্যন্ত অনুপস্থিত ৪৯ জন শিক্ষার্থীর তালিকা করে জমা দেওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে কেউ নিখোঁজ আছে কী না তা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যাচাই করবে।'
তালিকা পাওয়ার কথা স্বীকার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. কামরুল হুদা বলেন, 'আরবি বিভাগে অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের একটি তালিকা পেয়েছি। তালিকা যাচাই বাছাই করে দেখা হবে কী কারণে তারা অনুপস্থিত রয়েছে। এরপর যদি কারো সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব না হয় তবে বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হবে।'
তিনি জানান, সন্দেহভাজন জঙ্গি মারজান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী থাকার প্রমাণ পায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এর পর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য জরুরি বৈঠক ডেকে আরবি বিভাগের অনুপস্থিত শিক্ষার্থীর তালিকা করে জমা দিতে নির্দেশ দেন।
শিক্ষার্থীরা জানায়, মারজানের পরিচয় প্রকাশ পাওয়ার পর গত মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে অভিযান চালিয়ে প্রায় দুই শতাধিক বিতর্কিত লেখকের বই উদ্ধার করে প্রক্টরিয়াল বডি।
এ প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দীন চৌধুরী বলেন, 'আরবি বিভাগের পাঠ্যসূচিতে বিতর্কিত লেখকের বই রেফারেন্স বই হিসেবে কেন রাখা হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।'
তিনি জানান, উপ উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীন আক্তারকে প্রধান করে ‘শিক্ষা কার্যক্রম মনিটরিং’ সেল করা হয়েছে। এ কমিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন বিভাগের পাঠসূচিতে কোনো বিতর্কিত বই থাকলে তা বাতিল করবে। এছাড়া শিক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন কার্যক্রম মনিটরিং করবে এ সেল।
এম এ





