‘অরিত্রির ঘটনায় মূলত শাখা প্রধান ও প্রিন্সিপাল জড়িত, তাদের গ্রেফতার না করে একজন নির্দোষ শিক্ষককে পলিটিক্স করে ধরিয়ে দেয়া হয়েছে। নির্দোষ ব্যক্তিকে কেন জেলে দেয়া হল? মূল দোষীদের কেন গ্রেফতার করা হল না?’
শনিবার বেলা ১১টায় ভিকারুননিসা স্কুলের প্রধান ফটকের সামনে জড়ো হয়ে এ অভিযোগ করে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। বিক্ষোভকারীরা এ ঘটনায় সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করছেন।
এসময় ‘আমার মায়ের মুক্তি চাই’, ‘যাদের হাতে মানুষ গড়া, তাদের কেন হাতকড়া’ ‘শিক্ষক যদি সম্মান না পায় এমন শিক্ষার দরকার কি?’ এর রকম নানা স্লোগান দিতে থাকেন তারা।
সাবেক শিক্ষার্থী বাধান বলেন, যারা প্রকৃত দোষী তাদের গ্রেফতার না করে নির্দোষ ব্যক্তিকে জেলে নেয়া হয়েছে। শিক্ষিকা হেনা একজন ক্লাস শিক্ষক তিনি অরিত্রির বাবা মাকে অপমান করেননি?
একাদশ শ্রেণির অবিভাবক মনসুর আহমেদ বলেন, মেয়েরা হত্যার বিচার চেয়েছে নির্দোষ একজন ব্যক্তিকে কেন জেলে দেয়া হল, আমি ১৭ বছর ধরে এই শিক্ষককে চিনি, মূলত স্কুলে কোনো নকল হলে এ বিষয়গুলো অধ্যক্ষ দেখেন, তাহলে শ্রেণি শিক্ষক বিভাবে দোষী হয়? ওনি সকালে ডিউটি শেষ করে বাসায় চলে গেছেন। ওনার মতো ভালো শিক্ষক এ স্কুলে কম আছেন।
এর আগে নকলের অভিযোগে অভিভাবককে ডেকে অপমান করায় গত সোমবার দুপুরে আত্মহত্যা করেন ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্রী অরিত্রী অধিকারী।
এ ঘটনায় রাতেই ‘আত্মহত্যার প্ররোচণাকারী’ হিসেবে ভিকারুননিসার তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করেন অরিত্রীর বাবা। সেই মামলায় ভিকারুননিসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ তিন শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত ও তাদের এমপিও বাতিল করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
গত বুধবার মধ্যরাতে শিক্ষিকা হাসনা হেনাকে উত্তরার একটি হোটেল থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তবে হাসনা হেনার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভে নেমেছে শিক্ষার্থীদের একাংশ। তাদের দাবি অরিত্রীর মৃত্যুর জন্য দায়ী অধ্যক্ষ ও শাখার প্রধান শিক্ষক।





