যথাযোগ্য মর্যাদায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে জেল হত্যা দিবস পালিত হয়েছে। সোমবার দিবসটি উপলক্ষে শহীদ এ এইচ এম কামারুজ্জামানের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন রাবি উপাচার্য অধ্যাপক মুহম্মদ মিজানউদ্দিন।
এসময় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, রাবি উপ-উপাচার্য অধ্যাপক চৌধুরী সারওয়ার জাহান, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এন্তাজুল হক, ছাত্রউপদেষ্টা অধ্যাপক সাদেকুল আরেফিন মাতিন, জনসংযোগ প্রশাসক অধ্যাপক ইলিয়াস হোসেনসহ প্রশাসনের ঊর্ধতন কমকর্তাবৃন্দ। এছাড়াও এসময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশিষ্ট শিক্ষকবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।
জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে চার নেতার অন্যতম শহীদ এ এইচ এম কামারুজ্জামানের কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। পরে শহীদ কামারুজ্জামানসহ সকল নেতার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া-মোনাজাত করেন।
এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা দিবসটি উপলক্ষে এক শোক র্যালির আয়োজন করে। সোমবার দুপুরে পৌনে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আমচত্বরে অবস্থিত ছাত্রলীগের দলীয় টেন্ট থেকে র্যালিটি শুরু হয়। বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুণরায় টেন্টে ফিরে এসে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে।
রাবি ছাত্রলীগ সভাপতি মিজানুর রহমান রানার নেতৃত্বে র্যালিতে অন্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলৈন, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক খালিদ হাসান বিপ্লব, সহ-সভাপতি তারিকুল ইসলাম তারেক, মেহেদী হাসান রাসেল, সাংগঠনিক সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ রুনু, যুগ্ম-সম্পাদক শাহনুর শাকিল, ছাত্রলীগ নেতা মিনারুল ইসলাম প্রমুখ।
সমাবেশে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মিজানুর রহমান রানা বলেন, দেশকে নেতৃত্বশূণ্য করার নীল নকশা বাস্তবায়নের জন্যই ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এই হত্যাকান্ড ঘটানো হয়েছিল।
উল্লেখ্য, ১৯৭৫ সালের ০৩ নভেম্বরের মধ্যরাতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্ধী অবস্থায় জাতীয় চার নেতা- শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম, শহীদ তাজ উদ্দিন আহমেদ, শহীদ ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী এবং শহীদ এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে হত্যা করা হয়।
এসএইচ





