হাজী মোহম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) ভর্তি পরীক্ষায় ডিজিটাল জালিয়াতির অভিযোগে দুই ছাত্রলীগ নেতা সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর মো: রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে সিন্ডিকেট ভবনে ভর্তি পরীক্ষা কমিটির এক জরুরি সভা মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশনা শাখার সেকশন অফিসার মো: মমিনুল ইসলাম।

সাময়িক বরখাস্ত ওই দুই ছাত্র হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি’র ছাত্র ও হাবিপ্রবি’র সাধারণ সম্পাদক অরুন কুমার রায় ও বিএস লেভেল-৪ সেমিস্টার-১ এর ছাত্র এবং ডিটি হল ছাত্রলীগ সভাপতি এসএম জাহিদ হাসান।

এদিকে এ ঘটনার পর বুধবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডি বক্স চত্বরে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলন করেছে হাবিপ্রবি শাখা ছাত্রলীগ।

সংবাদ সম্মেলনে হাবিপ্রবি ছাত্রলীগ সভাপতি ইফতেখার ইসলাম রিয়েল দাবি করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর মো: রুহুল আমিন বিএনপি-জামায়াতের এজেন্ট। তিনি পরিকল্পিতভাবে ছাত্রলীগকে ধ্বংস করার মিশন নিয়ে মাঠে নেমেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে ওই দুই ছাত্রলীগ নেতাকে পরিকল্পিতভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। অবিলম্বে ওই দুই ছাত্রলীগ নেতার বরখাস্ত আদেশ প্রত্যাহার ও ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর মো: রুহুল আমিনকে প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।

এদিকে সিন্ডিকেট সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আগামী ৫, ৭ ও ৮ নভেম্বরের সব ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় মোবাইল, ক্যালকুলেটর, ব্লুটুথ ডিভাইস ছাড়াও সব ধরনের ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস নিয়ে পরীক্ষা হলে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

কেএইচ