আইন বিভাগের ২০০২-০৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সামসুজ্জামান তুহিন। তুহিন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। সে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পদে থাকা অবস্থায় তার নজরে আসে ইংরেজি বিভাগের ২০০৫-০৬ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রী শেখ সুলতানা সুখিকে।
তখন থেকেই শুরু হয় এই প্রেম লিলা নামের দেহভোগী সম্পর্কের। এভাবেই চলতে থাকে তুহিন ও সুখির বাধাহীন অবৈধ যৌন সম্পর্ক। দলীয় পদে থাকায় কেউ তাদের অবৈধ খোলা-মেলা সম্পর্কের ব্যাপারে কিছু বলতে সাহস পায় নি। তাদের সম্পর্কের এক পর্যায়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হলের ছাত্রলীগের তৎকালীন সভাপতি বানী ইয়াসমিন হাসিকে বিয়ে করে তুহিন। কিন্তু, বিয়ে করেছে তাতে কি ? সুখির সাথে তুহিনের সম্পর্কের কোন অবনতি হয় না। এরই মধ্যে সুখিও অন্য একটা ছেলেকে বিয়ে করে। তারপরও চলতে থাকে তাদের অবাধ মেলামেশা ও যৌন জীবন। এক পর্যায়ে তুহিনের পরকিয়ার বিষয় টি তার বিবাহিত স্ত্রী বানী ইয়াসমিন হাসি জানতে পারে। কোন উপায় না দেখে চারিত্রিক পদস্খলনের কারণে শেষ পর্যন্ত হাসি তুহিনের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি লিখে নিয়ে তাকে ডিভোর্স দেয়।
একই ভাবে সুখীর পরকিয়ার বিষয়ে টি জানার পরে সুখীকেও তার স্বামী তালাক দেয়। এরপর থেকে আরো জমজমাট হয়ে ওঠে তুহিন ও সুখীর অবৈধ যৌন সম্পর্ক।
জানা যায়, শেখ সুলতানা সুখী বর্তমানে ইসলামী ব্যাংকের নাটর শাখায় কর্মরত আছেন। স্বামী তালাক দেওয়ার পর থেকেই নিয়মত তুহিনের কাছে যাতয়াত শুরু হয় সুখীর। এদিকে তুহিনকে তার বিবাহিত স্ত্রী ডিভোর্স দেওয়ায় সুখীর সাথে সম্পর্ক গাড়ো হতে আর কোন প্রতিবন্ধকতা থাকে না তুহিনের। তারা বিভিন্ন সময় কুষ্টিয়া শহর এবং আশপাশের এলাকায় বিভিন্ন বাসায় একান্তে সময় কাটাচ্ছে। ছুটি পেলেই সুখী ছুটে আসে তুহিনের কাছে। কখনও বা তুহিন নিজেই সুখীর কর্মস্থলে যায়। বিভিন্ন স্বজনের বাসা এবং বিভিন্ন আবাসিক হটেলে চলে তুহিনের দেহ ভোগের লিলা খেলা।
সুখীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বানানোর টোপ দিয়ে নিয়মিত তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক চালিয়ে যাচ্ছে তুহিন। শেখ সুলতানা সুখীর সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সাবেক কর্তা ব্যক্তিরও সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে জানা যায়। ওই প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তি ও তুহিন দুজনে মিলে সুখীর দেহভোগ করেছে।
শামসুজ্জামান তুহিন ইবি শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক থাকা কালে দলীয় অর্ধশতাধিক ছাত্রীদের সতিত্ব হরণ করেছে। এমন কি তার যৌন লালসার হাত থেকে নারীরা দল ত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছে। বর্তমানেও এক পদধারী নেতার বিরুদ্ধে মাঝে মাঝে এমন অভিযোগ পাওয়া যায়। এতে দিন দিন দলে ছাত্রীদের উপস্থিতি শুন্যের কোটায় নেমে এসেছে। এমন কি ছাত্রলীগের মেয়ে সদস্যদের দেখলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের নাক সিটকায় বলেও অভিযোগ করে ভূক্তভোগী নেতৃরা।
জানা যায়, সুখীকে যশর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বানাতে মরিয়া হয়ে ওঠেছে তুহিন। সুখীকে ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক পদে নিয়গ দিতে তুহিন ইবি ছাত্রলীগের সাবেক নেতা দের মাধ্যমে যশর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি কে ক্রমাগত চাপ দিয়ে আসছে। বর্তমানে সুখীর শিক্ষক হওয়ার বিষটি প্রায় ঠিকঠাক পর্যায়ে আছে। এরই ফাঁকে সুযোগ বুঝে সুখীকে ঘরের বউকরে নিতে ব্যস্ত তুহিন। তার পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, আগামী ২৯ জানুয়ারী তাদের বিয়ের দিন ধার্য করা হয়েছে।
এদিকে সুখীর মত চরিত্রহীন মেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হলে সে শিক্ষার্থীদের কি শিক্ষা দেবে তা বেভে দেখবার বিষয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইবির ইংরেজি বিভাগের এক শিক্ষক বলেন, “সুখীর চরিত্র সম্পর্কে সবারই কমবেশি ধারণা আছে। চরিত্রহীন মানুষ জাতি ও সমাজের জন্য ক্ষতিকর। চরিত্রহীন শিক্ষক শিক্ষার্থীদের চরিত্র নষ্ট করতে দিধাবোধ করবে না। বিভিন্ন লোভ-লালোশায় তারা শিক্ষার্থীদের নানা অনৈতিক কার্যক্রমে জড়িয়েদেয়।
ইবি ছাত্রলীগের এক পদ ধারী নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “ তুহিন ভায়ের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। ভাই সুখীকে বিয়ে করতে যাচ্ছে যেনে আমরা খুশি।”
এমএম





