অমর একুশে গ্রন্থমেলার ১৮তম দিন বুধবার নতুন বই এসেছে ৯১টি। মোড়ক উন্মোচন হয়েছে ৪টি নতুন বইয়ের।
বুধবার বিকেল ৪টায় গ্রন্থমেলার মূল মঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান। এতে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন।
আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন কবি ও স্থপতি রবিউল হুসাইন এবং সৈয়দ মাইনুল হোসেনের কন্যা তানজিনা হোসেন। সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার।
প্রাবন্ধিক বলেন, সৈয়দ মাইনুল হোসেনের জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থাপত্য কাঠামোর সাতটি স্তম্ভের এক অভিন্ন বিন্দুতে মিলন আমাদের যেন এই বার্তাই প্রদান করে যে সমস্ত বিভাজন ও মতপার্থক্য সত্ত্বেও আমরা মূলত এক মহান মুক্তিযুদ্ধের সন্তান এবং বাংলাদেশ নামক এক মহান জাতিরাষ্ট্রের আমরা গর্বিত উত্তরাধিকার।
সভাপতির বক্তব্যে মুস্তাফা মনোয়ার বলেন, এক সমৃদ্ধ পারিবারিক ঐতিহ্যের অধিকারী মাইনুল হোসেন যুদ্ধ- ধ্বংস ও অন্যায়কে ঘৃণা করতেন।
তার অনন্য শিল্পচিন্তার অনুপম প্রকাশ ঘটেছে জাতীয় স্মৃতিসৌধের প্রতিটি স্তম্ভে এবং এর সামগ্রিক নির্মাণ শৈলীতে। স্মৃতিসৌধের ঊর্ধ্বমুখী বিস্তার যেন বাঙালি জাতির হার না মানা চির উন্নত শিরকেই নির্দেশ করে।
সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ঝর্ণা আলমগীরের পরিচালনায় ‘ক্রান্তি শিল্পীগোষ্ঠী’ এবং অধ্যাপক লিয়াকত আলীর পরিচালনায় ‘সংস্কৃতি বিকাশ কেন্দ্র’ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করে।
সংগীত পরিবেশন করেন রোকাইয়া হাসিনা, ড. মো. হারুন-অর-রশীদ, রাজিয়া সুলতানা মুন্নী, নকুল চন্দ্র দাস, হাসি সরকার, মো. মুরাদ হোসেন, রীতা ভাদুরী, আঁখি আলম, শারমিন সুলতানা এবং মাহ্যাবিন রহমান শাওলী।
এদিকে, বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় গ্রন্থমেলার মূল মঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান।
এতে প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন শামসুদ্দিন আহমদ। আলোচনায় অংশগ্রহণ করবেন কামালউদ্দিন, অপরেশ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং নূরুন্নাহার মুক্তা। সভাপতিত্ব করবেন মো. শাহ-ই-আলম।
এমআর/এসএইচ





