আবরার ফাহাদের হত্যাকারীদের বিচার দাবিতে উত্তাল বুয়েট ক্যাম্পাস। সেই বিক্ষোভের মধ্যেই ভিসি সাইফুল ইসলাম আজ সকালে কুষ্টিয়ার কুমারখালীর রায়ডাঙ্গা গ্রামে আবরারের কবর জিয়ারত করতে যান।
কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার বাড়িতে ঢোকার মুখে এলাকাবাসীর তোপের মুখে পড়েন বুয়েট ভিসি অধ্যাপক ড. সাইফুল ইসলাম।
এক পর্যায়ে বুধবার বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটের দিকে কয়া ইউনিয়নের রায়ডাঙ্গা গ্রামের ওই বাড়ির সামনে থেকে পুলিশ ও র্যাব সদস্যের পাহারায় দ্রুত তিনি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেন।
এর আগে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তিনি কড়া নিরাপত্তায় রায়ডাঙ্গা কবরস্থানে আবরারের কবর জিয়ারত করেন। এ সময় আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ সেখানে ছিলেন।
উল্লেখ্য, রোববার (৬ অক্টোবর) দিবাগত মধ্যরাতে বুয়েটের সাধারণ ছাত্র ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ফাহাদকে শেরেবাংলা হলের দ্বিতীয় তলা থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। সোমবার (৭ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সোমবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে ঢামেক ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডা. মো. সোহেল মাহমুদ বলেন, বাঁশ বা স্ট্যাম্প দিয়ে পেটানো হয়ে থাকতে পারে বুয়েট ছাত্র আবরার ফাহাদকে। এর ফলেই রক্তক্ষরণ বা পেইনের (ব্যথা) কারণে ফাহাদের মৃত্যু হয়েছে।
তিনি বলেন, ফাহাদের হাতে, পায়ে ও পিঠে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এ আঘাতের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে। আঘাতের ধরন দেখে মনে হয়েছে ভোঁতা কোনো জিনিস যেমন- বাঁশ বা স্ট্যাম্প দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। তবে তার মাথায় কোনো আঘাত নেই।
কপালে ছোট একটি কাটা চিহ্ন রয়েছে। এ ঘটনায় আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে চকবাজার থানায় ১৯ জনের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন।
এএস





