ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিক্ষানবিশ (ইন্টার্ন) চিকিৎসকদের হামলায় হাসপাতালে দায়িত্বে থাকা সিলেট নার্সিং ইনস্টিটিউটের ২ জন সেবক ও ৩ জন সেবিকা আহত হয়েছেন।
ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার সকালে শিক্ষার্থীরা নার্সিং ইনস্টিটিউটের ক্লাস বর্জন করে দুপুর ১২টায় হাসপাতালের সামনে মানববন্ধন করেছেন।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, রোববার রাত সাড়ে ১২টার দিকে হাসপাতালের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে কর্তব্যরত শিক্ষানবিশ চিকিৎসক তোফায়েল আহমদ ব্রাদার (সেবক) প্রলয়কে তলব করেন।
কিন্তু প্রলয় আসতে দেরি করায় এ নিয়ে দু'জনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে প্রলয়কে তোফায়েল কিল-ঘুসি মেরে ওয়ার্ড থেকে চলে যেতে বলেন। প্রলয় এ ঘটনার বিচার চাইবেন জানালে তোফায়েলের পক্ষ নিয়ে আরও কয়েকজন শিক্ষানবিশ চিকিৎসক জড়ো হয়ে প্রলয়কে আরেক দফা মারধর করেন।
খবর পেয়ে অন্য ওয়ার্ড থেকে ব্রাদার ও নার্সরা ছুটে গিয়ে প্রলয়কে উদ্ধার করে নিয়ে যান। এসময় শিক্ষানবিশ চিকিৎসকদের মারধরে তিনজন সেবিকা ও একজন সেবক আহত হন।
ঘটনার প্রতিবাদে রাত দেড়টার দিকে হাসপাতালের সেবক-সেবিকারা হাসপাতাল চত্বরে বিক্ষোভ মিছিল করেন। একই সঙ্গে ঘটনার বিচার না হওয়া পর্যন্ত ধর্মঘট পালনের ঘোষণা দেন তাঁরা।
এ পরিস্থিতিতে রাত সাড়ে ৩ টায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জরুরি বৈঠক করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করলে তাঁরা ধর্মঘট প্রত্যাহার করেন।
হাসপাতালের সহকারী পরিচালক তন্ময় ভট্টাচার্য জানান, সামান্য বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়েছিল। রাতেই হাসপাতালের পরিচালক দুই পক্ষকে নিয়ে বৈঠক করে। এতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে। এ ঘটনায় গঠিত ৪ সদস্যের তদন্ত কমিটিকে ৭ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
সোমবার সকালে এ ঘটনা জানাজানি হলে নার্সিং ইনস্টিটিউটের অন্যান্য শিক্ষার্থী ক্লাস বর্জন করে আরেক দফা বিক্ষোভ করেন। দুপুর ১২টার দিকে তাঁরা হাসপাতালের সামনে মানববন্ধন করে হামলাকারী শিক্ষানবিশ চিকিৎসকদের বিচারের দাবি জানান।
[b]ঢাকা, ১৯ মে (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই[/b]
শিক্ষা
সিলেট নার্সিং ইনস্টিটিউটে ক্লাস বর্জন, মানববন্ধন
ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিক্ষানবিশ (ইন্টার্ন) চিকিৎসকদের হামলায় হাসপাতালে দায়িত্বে থাকা সিলেট নার্সিং ইনস্টিটিউটের ২ জন সেবক ও ৩ জন সেবিকা আহত হয়েছেন। ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার সকালে শিক্ষার্থীরা নার্সিং ইনস্টিটিউটের





