মাস পেরিয়ে গেলেও সংস্কার করা হয়নি ঝড়ে ভেঙ্গে পড়া রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শেরে-ই-বাংলা হলের দক্ষিণ পাশের প্রাচীর। এমনকি এখন পর্যন্ত কোন সংস্কারের উদ্দ্যেগও নেয়া হয়নি। এতে করে অনেকটাই অরক্ষিত হয়ে পড়েছে গোটা ক্যাম্পাস।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, এ কারণে ক্যাম্পাসে অনায়াসে বহিরাগত ও দূষ্কৃতিকারীদের যাতায়াত চলছে। এমনকি বিভিন্ন টোকাই মাস্তানেরা সহজেই হলের ভিতরে প্রবেশ করে অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটাতে পারে বলে শঙ্কায় আছে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষার্থীরা।

তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাবি ভিসি প্রফেসর মুহম্মদ মিজানউদ্দিন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন কাজ করতে হলে নির্দিষ্ট একটা প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়েই করতে হয়। এর জন্য ভিন্ন ভাবে টেন্ডার দিতে হয়। তিনি বলেন, ধসে যাওয়া প্রাচীরের কাজের প্রক্রিয়া চলছে। খুব দ্রুতই প্রাচীর নির্মাণ করা হবে বলে জানান তিনি।

সরেজমিনে দেখা যায়, গত এক মাস আগে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক সংলগ্ন বিশ্ববিদ্যালয় শেরে-ই-বাংলা আবাসিক হলের পাশে ৮০ ফুট প্রাচীর ধসে যায়। ধসে যাওয়া প্রাচীরের ফাঁকা জায়গা দিয়ে হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ও বহিরাগতরা দিব্যি চলাচল করছে।

এ কারণে আবাসিক হলের শিক্ষার্থীরা টোকাই, মাস্তানদের ভয়ে তাদের ব্যবহৃত আসবাবপত্র হলের বারান্দায় রাখার নিশ্চয়তা পাচ্ছে না। এতে করে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া বিঘ্নিত হচ্ছে। পাশাপাশি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে গোটা ক্যাম্পাস।

জানতে চাইলে একাধিক শিক্ষার্থীরা জানান, দীর্ঘ দিন এ প্রাচীর ধসে পড়ে থাকলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ ব্যপারে কোন পদক্ষেপ নেইনি। এতে করে উন্মুক্ত রাস্তা দিয়ে যেকোন লোক প্রবেশ করে অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটাতে পরে।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী সিরাজুম মুনীর বলেন, আমি বিষয়টি জানি না। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ভারো বলতে পারবেন বলে জানান তিনি।

এআর/এআর